মঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

জঙ্গি হামলার তীব্র আশঙ্কা করছি না, তবে উড়িয়েও দিচ্ছি না: আইজিপি

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ৯:৩৭ অপরাহ্ণ

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জঙ্গি হামলার তীব্র আশঙ্কা করছেন না, তবে উড়িয়েও দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। ‎তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের হুমকি নেই বলেও জানান পুলিশপ্রধান।

বাহারুল আলম বলেছেন, ‘আমি মনে করি জঙ্গি হামলার আশঙ্কাটা…যদি কেরানীগঞ্জের ঘটনা না ঘটত… এ মুহূর্তে আমি তীব্র আশঙ্কাবোধ করছি না। তবে উড়িয়েও দিচ্ছি না। হামলার ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।’

আজ ‎মঙ্গলবার সকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইজিপি বাহারুল আলম। ‎

এ সময় ‎সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, নির্বাচনে কোনো জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আছে কি না।

পুলিশ মহাপরিদর্শক জানান, তপশিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৩১৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, এতে নিহত হয়েছেন ৫ জন। এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৫০টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে।

আইজিপি বলেন, নির্বাচন ঘিরে সব প্রস্তুতি আছে, ইলেকশনকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে।

পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্বে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা পুলিশ সদস্যদের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এই নির্বাচনে পুলিশ নিজের হারানো ইমেজ ফিরিয়ে আনবে। বড় সহিংসতা মোকাবিলায় পুলিশ পুরোপুরি সক্ষম।

বাহারুল আলম আরও বলেন, এবার নির্বাচনে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এ ছাড়া সবচেয়ে বেশি প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্যসহ সেনাবাহিনী, বিজিবি ও র‍্যাব মোতায়েন থাকবে।

‎নিরাপত্তাব্যবস্থা তিন ধরনের হবে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, এবার নিরাপত্তার রক্ষার্থে প্রযুক্তির ব্যবহারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া পুলিশ সুপাররা তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী ড্রোন ব্যবহার করবেন। ‎

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত