শনিবার , ৭ অক্টোবর ২০২৩ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খুলনা
  6. খেলাধুলা
  7. চট্রগ্রাম
  8. জেলার খবর
  9. ঢাকা
  10. তথ্য-প্রযুক্তি
  11. প্রবাসের কথা
  12. বরিশাল
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. ব্যাবসা-বাণিজ্য

প্রস্তুত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল আজ উদ্বোধন. বিমানবন্দরে পাবে বিশ্বমানের সেবা

প্রতিবেদক
Newsdesk
অক্টোবর ৭, ২০২৩ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ

শেষ হচ্ছে প্রতীক্ষা। শনিবারই উদ্বোধন হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই প্রকল্পের আংশিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উদ্বোধনের পরই বিমান পার্কিং করা যাবে। তবে এটি যাত্রীদের জন্য টার্মিনাল উন্মুক্ত হবে ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ। বছরে এক কোটি ৬০ লাখ যাত্রী সেবা পাবেন এ টার্মিনালে।

সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের আদলেই তৈরি শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। নকশাও করেছেন চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকারক রোহানি বাহরিন।

যাত্রীদের জন্য থাকছে একসাথে এক হাজার ২৩০টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা। লাগেজ ব্যবস্থাপনাসহ পুরো ইমিগ্রেশন সিস্টেম চলবে আধুনিক সফটওয়্যারে।

২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিত্যক্ত ভূমিতে শুরু হয় আধুনিক এই টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। তিন মাস পরেই করোনা অতিমারি। কিন্তু কোন কিছুতেই একদিনের জন্যও কাজ থেমে থাকেনি। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার এলাকাজুড়ে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। কাজ শেষ হয়েছে ৯০ শতাংশ।

airport

নতুন এই টার্মিনাল নির্মাণের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে। কর্তৃপক্ষ বলছে বর্তমানের দুটি টার্মিনালে ৮০ লাখ যাত্রীর সেবা দেয়া যাচ্ছে। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে তা আরও ১ কোটি ৬০ লাখ বৃদ্ধি পাবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী বিমান এয়ারবাস A380 এর ব্যবহার উপযোগী দুইটিসহ মোট ২৬টি বোর্ডিং ব্রিজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে এই টার্মিনালে।

টার্মিনালে যাত্রীদের হাটার কষ্ট দূর করবে চলন্ত হাটার পথ। দীর্ঘ লাইনের কষ্ট এড়াতে থাকছে ১১৫টি চেক ইন কাউন্টার ও ৬৪টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার। লাগেজ টানার জন্য থাকবে ১৬টি কনভেয়ার বেল্ট।

মোট ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে জাপানি সহযোগী সংস্থা জাইকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে ১৬ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। আর বাকি ৫ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে, জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং কোম্পানি।

সর্বশেষ - খেলাধুলা