গাজীপুরের টঙ্গীর মাজার বস্তিতে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে যৌথবাহিনী। এসময় অন্তত ৬০ জন মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন চিহ্নিত সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে মাদক ও বিভিন্ন সরঞ্জাম।
শনিবার সন্ধ্যার পর সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে এই অভিযান শুরু হয়।
ছিনতাই, মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে যৌথ বাহিনী পরিচালিত অভিযানে টঙ্গীর মাজার বস্তির বিভিন্ন ঘরে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, মাদক ও মাদক সেবনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অর্ধশতাধিক অপরাধীকে আটক করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, রাজধানীর উত্তরাসহ শিল্পাঞ্চল টঙ্গী অপরাধপ্রবণ এলাকা হয়ে ওঠায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে যৌথ বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রায় প্রকাশ্যেই বস্তিটিতে মাদক কারবার চলে আসছে। বিষয়টি অনেকবার স্থানীয় থানায় জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাদের।
তবে শুধু মাদক বিক্রিই নয়, বস্তিটির ছোট ছোট ঘরে বসে মাদক সেবনেরও ব্যবস্থা রয়েছে। পরিবহন শ্রমিকরা এ স্পটের মূল ক্রেতা বলে দাবি স্থানীয়দের।
যৌথবাহিনীর অভিযান শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে।
গাজীপুরের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হানুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও রয়েছে। মাজার বস্তির মানুষ ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ইতোমধ্যে ৬০ জনের মতো মাদক কারবারিসহ বিভিন্ন চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আটক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মাদক ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুরো রমজানজুড়ে এমন অভিযান চলবে বলেও জানান তিনি।