বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব এনে সমবেদনা জানিয়েছে ভারতের রাজ্যসভার আইনপ্রণেতারা।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বাজেট অধিবেশনের প্রথমদিনে মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নরেন্দ্র মোদীসহ অন্যরা নীরবতা পালন করেন।
এর আগে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত মহারাষ্ট্রের উপমূখ্যমন্ত্রী, লোকসভার সাবেক পাঁচ সদস্য এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব আনা হয়। এ সময় সবার নাম উচ্চারণ করা হয়। এরপর আইনপ্রণেতারা দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি সমবেদনা ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন নেতৃত্বের জন্য পরিচিত খালেদা জিয়া গেলো ৩০ ডিসেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
পরদিন ৩১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
বেগম জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শোকবার্তায় নিয়ে ঢাকায় আসেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পরে জয়শঙ্কর লেখেন, আমাদের অংশীদারত্বের উন্নয়নে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও মূল্যবোধ পথ দেখাবে বলে আশা করছি। এছাড়া দুই জানুয়ারি চেন্নাইয়ের আইআইটি মাদ্রাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বেগম খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন তিনি।
একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানান ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।
খালেদা জিয়া শেষকৃত্যে ভারতের পাশাপাশি পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন।


















