শনিবার , ১৪ মার্চ ২০২৬ | ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

নাগরিকরা দুর্বল হলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
Newsdesk
মার্চ ১৪, ২০২৬ ১:৩৬ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নাগরিকরা দুর্বল হলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। তাই আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলা। তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে সম্মানীর অর্থ তুলে দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশে টেকসই গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে।

প্রধানমন্ত্রী আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করে জানান, ১৬ মার্চ সারাদেশে খাল খনন কার্যক্রম শুরু হবে, ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্টের উদ্বোধন করা হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সেখানে কর্মরত ব্যক্তিদের সহায়তায় বিশেষ সম্মানী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। সম্মানি প্রদান কর্মসূচির আওতায় মসজিদের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা। মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার ক্ষেত্রে আট হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকবে। মসজিদের ইমামরা পাঁচ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন তিন হাজার টাকা, খাদেম দুই হাজার টাকা পাবেন।

মন্দিরের ক্ষেত্রে পুরোহিত পাঁচ হাজার টাকা ও সেবাইত তিন হাজার টাকা পাবেন। বৌদ্ধ মন্দিরে বিহার অধ্যক্ষ পাঁচ হাজার টাকা ও বিহার উপাধ্যক্ষ তিন হাজার টাকা এবং গির্জার ক্ষেত্রে যাজক পাঁচ হাজার ও সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা করে পাবেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

প্রথম পর্যায়ে ঈদের আগে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, সারাদেশে ৭২টি উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার ও ১৯৮টি উপজেলায় গির্জা অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৩৯৬টি গির্জা সম্মানী দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, জনকল্যাণমূলক এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমেই রাষ্ট্রকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত