রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ১৬.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের একটি বহুবর্ষীয় অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এই তহবিলের মাধ্যমে কক্সবাজারে বসবাসরত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নারী, কিশোরী ও মেয়েদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং তরুণদের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং ৫ লাখ ৬৮ হাজার স্থানীয় মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল, যারা জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বব্যাপী তহবিল সংকটের কারণে নানাবিধ ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বলেন, ইউএনএফপিএ-র সাথে কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত। এই বিনিয়োগ জীবন বাঁচাতে, নারী ও কিশোরীদের সুরক্ষা দিতে এবং বাস্তুচ্যুত ও জলবায়ুজনিত সংকট মোকাবিলায় আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
ইউএনএফপিএ-র প্রতিনিধি ক্যাথরিন ব্রিন-কামকং অস্ট্রেলিয়ার এই অবদানকে ‘সময়োপযোগী ও কৌশলগত বিনিয়োগ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন জীবনরক্ষাকারী সেবাগুলো সচল রাখতে এবং প্রসূতি মা ও শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত কার্যকর হবে।
গত তিন বছরে অস্ট্রেলিয়া ও ইউএনএফপিএ-র যৌথ প্রচেষ্টায় প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার নারী ও কিশোরী স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছে, যার মধ্যে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। এই নতুন চুক্তিটি রোহিঙ্গা মানবিক সহায়তার যৌথ পরিকল্পনা (JRP) এবং অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারিত্ব ২০২৫-২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।



















