রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী: আমার দেশের সম্পাদক সাহেবের সাথে আমার পরিচয় লন্ডনে। সময় সম্ভবত 2012/13 হবে। (সালটি সঠিক মনে পড়ছেনা) তৎকালীন সময়ে আমার দেশের লন্ডন প্রতিনিধি ব্যারিষ্টার তারেক চৌধুরী ফোন করে বললেন অমুখ দিন পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইনের ক্যাফে গ্রীল রেষ্টুরেন্টে লন্ডনের বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মাহমুদুর রহমান সাহেব মতবিনিময় করবেন।
আমি যেন উপস্থিত থাকি। নির্ধারিত দিনে গেলাম মতবিনিময়ে। বিভিন্ন বিষয় কথা বলেছিলেন লন্ডনের সাংবাদিকরা। খাওয়া দাওয়ার পর রেষ্টুরেন্টের বাইরে দাড়িয়ে কথা বলছি এমনি সময় 2/3 জন যুবক ঝড়ের বেগে মাহমুদুর রহমান সাহেবকে ছুরিকাঘাত করার চেষ্টা করলে আমি আমার সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে বলি এই—- তোমারা কি করছো?
আমার চেচামেচির কারনে যুবকরা তৎক্ষণাৎ দিশেহারা হয়। যুবকদের টার্গেট মিস হয়। বুকে ছুরিকাঘাত না করে করেছিল খুব সম্ভবত তার ডানহাতের কব্জীর উপরে। মাহমুদুর রহমান সাহেবের ব্লেজার কেটে যায়। তিনি অক্ষত রয়ে যান। চুরিকাঘাতের ঘটনায় সাংবাদিকরা কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়েছিলেন।

সবাই একটু ভয় পেয়েছিলেন। তারেক ভাই কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেননা। আমি তারেক ভাইকে বলি “টেইক ইট ইজি”। ইতিমধ্যে মাহমুদুর রহমান সাহেবকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ব্রিকলেইনের সোনারগাঁ রেষ্টুরেন্টে। সেই রেষ্টুরেন্টের মালিক ছিলেন আজকের যিনি জগন্নাথপুর দক্ষিন সুনামগঞ্জের এমপি প্রার্থী এম কয়ছর আহমদ। স্মৃতি যদি আমার সাথে প্রতারণা না করে সেখানে সম্ভবত ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবও ছিলেন। সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদের পর মাহমুদুর রহমান সাহেবকে বিএনপি বিদায় দিয়েছিল।

আমি প্রস্তাব করেছিলাম মাহমুদুর রহমান সাহেবকে নিয়ে পুরো বাঙালি অধ্যুষিত ইষ্ট লন্ডন এলাকা প্রদিক্ষন করতে। কি কারনে বিএনপি রাজী হয়নি আমার আজ সেটি আর মনে নেই। আমি তারেক ভাইকে অনুরোধ করি আপনি মাহমুদুর রহমান সাহেবকে আমার কাছে তুলে দেন। আমি একাই তাকে নিয়ে পুরো ব্রিকলেইন হোয়াইটচ্যাপল ঘুরব। কারন আমার তখন শরীরে আমীর হামজার শক্তি। ঘাড় বাকা করতে পারিনা। অনেক সময় গায়ের জোরে কথা বলি। সে যাক। আমি তখন লন্ডনে তিনটা মিডিয়ার সাথে যুক্ত ছিলাম, এক চ্যানেল আই ইউরোপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও মালিক। দুই বৃটেন থেকে প্রকাশিত দৈনিক ব্রিট বাংলার প্রধান সম্পাদক।
তিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত নাঈমুল ইসলাম খান সাহেবের দৈনিক আমাদের সময়ের লন্ডন প্রতিনিধি। আমার মগজে ধরেছিল যে মাহমুদুর রহমান সাহেব একজন সম্পাদক, একজন লেখক, তাকে এভাবে লন্ডনে কেন ছুরিকাঘাত করা হবে? আমি সে রাতে একাই মাহমুদুর রহমান সাহেবকে নিয়ে পূর্ব লন্ডন প্রদিক্ষন করে, দৈনিক ব্রিট বাংলার সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় করে, রাতে লন্ডনের লিভারপুল স্ট্রিটের একটি তার্কিশ রেষ্টুরেন্টে ডিনার করে বিদায় দিয়েছিলাম। সাথে ছিলেন ব্যারিষ্টার তারেক চৌধুরী। ডিনারের সময় মাহমুদুর রহমান সাহেবকে বলেছিলাম আপনার দেশে যাওয়ার দরকার নেই।
দেশে গেলে শেখ হাসিনার সরকার আপনাকে নির্যাতন করতে পারে! তিনি বলেছিলেন করুক, আমি দেশে যাবই ইনশাআল্লাহ। তার প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে তারেক ভাইকে বাসায় পৌছে দিয়ে গভীর রাতে আমার বাসায় ফিরেছিলাম। আমি তখন লন্ডনে তুমুল জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। অনেকেই ফোন করে বললেন ভাই আপনার উচিৎ হয়নি মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে লন্ডনে এভাবে তাফালিং দেওয়া। যুক্তরাজ্য বিএনপি যেখানে সাহস করেনি আপনি সেখানে কেন এসব করতে যান ইত্যাদি।
সর্বশেষ যে ফোনটি সে রাতে যার কাছ থেকে পেয়েছিলাম তিনি ছিলেন একুশের গানের রচিয়তা মরহুম আব্দুল গাফফার চৌধুরী। গাফফার ভাইর সাথে তখন আমার সম্পর্ক খুবই ভালো। গাফফার ভাই ফোন করলেই প্রথম 5/7 মিনিট কথা হতো ব্যক্তিগত, ব্যাক্তিগত কথার সাক্ষী যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগ নেতা জামাল খান। আমি সেদিকটা নাইবা লিখলাম। তারপর কাজের কথা। ঐ রাতে কোনো ব্যক্তিগত কথা নেই। গাফফার ভাই সরাসরি জিজ্ঞেস করলেন মাহমুদুর রহমানকে তুমি চিন? বলেছিলাম তিনি লেখক, আমার দেশের সম্পাদক। গাফফার ভাই বলেছিলেন তিনি মুন্নু সিরামিকের ঝামাই। আর খন্দকার মোশতাকের দুরসম্পর্কের আত্মীয়!—–! এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধী।
এ ছাড়া যা বলেছেন তা লিখে লিখা আর লম্বা করতে চাইনা। তবে গাফফার ভাইকে আমি বলেছিলাম মাহমুদুর রহমান সাহেব স্বাধীনতা বিরোধী হন আর খন্দকার মোশতাকের দুসম্পর্কের আত্মীয় হন তার জন্য তাকে কি লন্ডনের মত জায়গায় ছুরিকাঘাত করতে হবে? গাফফার ভাই বলেছিলেন না সেটি অন্যায়- এবং মহা অন্যায়। কথা আর না বাড়িয়ে বলেছিলাম গাফফার ভাই মাহমুদুর রহমান সাহেব সম্পর্কে আপনার সাথে অন্য-একদিন বিস্তারিত আলাপ করব। ভালো থাকবেন আপনি। কথা শেষ।
তারেক রহমান সাহেবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মাহমুদুর রহমান সাহেব যে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে সে সব কথা একজন সম্পাদক কি করে বলেন আমার মাথায় ধরে না!
প্রিয় সম্পাদক আপনি শেখ হাসিনার সময় নির্যাতিত হয়েছেন। কারাবরন করেছেন। ছাত্রলীগের সোনার ছেলেরা আপনাকে রক্তাক্ত করেছে সবই দেশবাসী জানে। আমিও জানি। আপনি আমার দেশ প্রকাশের সময় ম্যাডাম জিয়ার সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন রকমের সাহায্য সহযোগিতা নিয়েছেন, এটি যেমন জানি, পাচ আগষ্টের পর বাজারে জোর কথা প্রচলিত রয়েছে আমার দেশ পুনরায় প্রকাশ করতে জামায়াতে ইসলামীর সাহায্য সহযোগিতাও নিয়েছেন।
সত্যি মিথ্যা আমি জানিনা। তারেক রহমান সাহেবকে আপনি পরামর্শ দিবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার কেউ ছিলেননা এটি আপনি যেভাবে বলেন পিনাকিরাও সেভাবেই বলে। পিনাকি বলেছেন স্বাধীনতা সংগ্রামে দুই হাজার মানুষ মারা গেছে।
আরেক শ্রদ্ধাভাজন সাংবাদিক মরহুম সিরাজুর রহমান সাহেব বলেছেন শেখ মুজিবুর রহমান তিন লক্ষকে ত্রিশ লক্ষ বলেছিলেন! সিরাজুর রহমান সাহেব আমার চ্যানেল আই ইউরোপের ষ্টুডিওতে বসে এক সময়ের লন্ডনের জনপ্রিয় নিউজ প্রেজেন্টার শেখ শাদীর সাথে সাক্ষাৎকারে এসব আজগুবি কথাগুলো বলে গেছেন। অবশ্য সেই অনুষ্ঠানের পরিচালক ছিলেন বিএনপি আমলের সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম ইয়াজ উদ্দিন সাহেবের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শামসুল আলম লিটন ভাই।

স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে আপনি, শফিক রেহমান সাহেব এবং সিরাজুর রহমান সাহেব যা বলেন তা বলে কি এচিভ করেন আমি জানিনা। আপনি শফিক রেহমান সাহেবের কথা বলেছেন। জেল থেকে বের হয়ে লন্ডনে আসার পর উনার জন্মদিন লাইভ পালন করেছিলাম চ্যানেল আই ইউরোপের লন্ডন ষ্টুডিতে। আমি শফিক ভাইকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছিলাম তার জেল জীবনের কাহিনি নিয়ে কথা বলতে, তিনি বলতে চাননি! তিনি আমাকে বলেছিলেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলে এই 80/82 বছর বয়সে আর জেলে যেতে চাননা।
পাচ আগষ্ট পর্যন্ত শফিক রেহমান সাহেব ছিলেন নিশ্চুপ। পাচ আগষ্টের পর শফিক ভাই হয়ে গেলেন বিপ্লবী। শফিক রেহমান ভাই ঢাকায় নেমে বলেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান বড় রাজাকার! জাতী অবাক বিস্ময়ে দেখলো বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মুখে শফিক ভাই কেক তুলে দিয়েছিলেন! বিষয়টি আমার কাছে খুবই আজীব মনে হয়েছে! প্রিয় সম্পাদক দয়া করে এসব অবাস্তব কথাবার্তা বলা বন্ধ করুন প্লিজ।
আপনাদের মত অতি-বিপ্লবি প্রতি-বিপ্লবিদের কারনে পাচ আগষ্ট ধরে রাখা যায়নি। পাচ আগষ্ট আজ ব্যার্থতায় পর্যবসিত হতে চলছে। পাচ আগষ্টের ব্যার্থতার দায়ভার আপনি এবং পিনাকিদের। কারন পাচ আগষ্টের ব্যার্থতা আমাকে পীড়া দেয়। কষ্ট দেয়। পাচ আগষ্ট কে আমি ধারন করি। পাচ আগষ্টের দায় আমারও আছে। তবে পাচ আগষ্ট কে নিয়ে আপনি এবং পিনাকিরা যা করেছেন ইতিহাস হয়তো একদিন মুল্যায়ান করবে। পাচ আগস্ট হয়েছিল শেখ হাসিনার দুর্নীতি দুঃশাসন খুন গুমের বিরুদ্ধে গনমানুষের তীব্র প্রতিবাদ।
আমি লন্ডনে শেখ হাসিনা সরকারের প্রতিবাদ করে আমার টেলিভিশন আমি হারিয়েছি। আমি তো শেখ হাসিনা সরকারের প্রতিবাদ করেছি। পাচ আগষ্টের পর আমি লক্ষ্য করলাম আপনি পিনাকিরা অন্য এজেন্ডা নিয়ে মাটে নামলেন। কথায় কথায় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে বিতর্কিত করার এক ঘৃণ্য চেষ্টায় আপনারা লিপ্ত হয়েছেন! কিন্তু কেন? আপনার সাংবাদিকতার ব্যাপারে কিছু বলতে চাইনা লিখতেও চাইনা। আপনি তারেক রহমান সাহেবের মিটিংএ শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব সম্পর্কে যা বলেছেন এটিই তো একটা মিথ্যা তথ্য।
একজন সম্পাদক কি করে নটরিয়াসলী ইনএকুরেট ইনফরমেশন জাতীর সামনে তুলে ধরেন? আমি লজ্জীত হই। আপনি যে তারেক রহমান সাহেবকে জ্ঞান দান করলেন সেই তারেক রহমান সাহেবের পিতা জিয়াউর রহমান সাহেব স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন বিহাফ অব আউয়ার গ্রেট লিডার শেখ মুজিবর রহমান বলে। আপনি তো সেই সম্পাদক প্রথম আলো জ্বলে, ডেইলী ষ্টার জ্বলে, আপনি কারো গাড়ী পাঠানোর অপেক্ষা করেন।
পিনাকীরা ইউরোপে বসে ডেইলী ষ্টার আর প্রথম আলোকে জ্বালিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকি দেয় আবার ডেইলী ষ্টারের সাংবাদিকদের নাকি জলন্ত অবস্হায় বের করে আনার চেষ্টাও করে!!! আজীব না ব্যাপারটি। প্রথম আলোকে পিনাকীরা বলে পুন্দের আলো। আরে ভাই আপনাদের যদি প্রথম আলোর ব্যাপারে অভিযোগ থাকে অবশ্যই সমালোচনা করবেন। আপনি পারলে প্রথম আলোকে পিছনে ফেলে আপনার পত্রিকা “আমার দেশকে” এক নাম্বারে নিয়ে যান। আপনাকে কে আটকাবে? সেটি পারেননা।
অথচ মানুষ সাংবাদিক ভিতরে রেখে আগুন জ্বালিয়ে দেন আবার বলেন গাড়ী পাঠালে যেতে পারতেন!!! আপনি তো সেই সম্পাদক যে সম্পাদকের পত্রিকায় লেখা হয়েছিল সাঈদী সাহেবকে—– দেখা গিয়েছে! কাবা শরীফের গিলাফ কাহিনী নাইবা লিখলাম। আর লিখবনা লিখতে চাইনা প্রিয় সম্পাদক। কারন আপনার আশেপাশের মানুষের সাথে আমার ভালো সম্পর্ক। আপনার নির্যাতিত সাংবাদিক অলি-উল্লাহ নোমান ভাই আমার বন্ধু মানুষ। আপনি এবং পিনাকিরা দেশটাকে বাজেভাবে উদাহরণের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন।
এর জন্যই তো নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বলেন আমরা নেপালকে বাংলাদেশ হতে দিতে পারিনা। ভালো থাকবেন প্রিয় সম্পাদক। আপনারা শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করেন। বিচার করেন আমি আছি আপনাদের সাথে, কিন্তু একটি ঐতিহাসিক সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করবেননা। 54 বছর আগে দেশ স্বাধীন হয়েছে।
কতজন মরছে! কে কি করেছে, না করেছে, সে বিতর্কে না গিয়ে আমারা কিভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি সে মেধা মননকে কাজে লাগালে দেশের মানুষ উপকৃত হবে। একজন মুক্তিযোদ্ধাকে আপনি যেমন রাজাকার বলতে পারবেননা। একজন রাজাকারকেও আপনি মুক্তিযোদ্ধা বলতে পারবেননা। অবশ্য কর্নেল অলি আহমেদ স্যার আর মেজর আক্তারুজ্জামান স্যারের ব্যাপারটি আলাদা। তাদের মাতে আর ঘরের কাজের বেটির মুতে সমান।
শেষ কথা: 1971 এর 16 ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হয়েছে। 1990 সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন হয়েছে। এরশাদ সাহেবের কাছ থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছে। 2024 সালে দেশ শেখ হাসিনার স্বৈরশাসন থেকে মুক্তি পেয়েছে। আপনি পিনাকি- রাজ্জাকি-ব্যারিষ্টার ফুয়াদ-ব্যারিষ্টার শাহরিয়াররা যে যতই বলুন ঐতিহাসিক সত্যকে মিথ্যা করতে পারবেননা। শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবকে বদমাশ বলতে পারবেন, শাউয়া মাউয়া ছিড়ে ফেলতে পারবেন। সোরওয়ার্দীর বডিগার্ড বলতে পারবেন। পুন্দের আলো বলতে পারবেন। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে একদিন ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন।
লেখক সভাপতি ইউকে বাংলা প্রেস ক্লাব
চেয়ারম্যান চ্যানেল ইউরোপ বাংলা ও ইংরেজি টেলিভিশন
11/1/2026 ইংরেজি লন্ডন।


















