বৃহস্পতিবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

আজ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণের দিন

প্রতিবেদক
Newsdesk
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৩ ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ

বাঙালির শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির লড়াইয়ে জাতির মানস গঠনে ভূমিকা রেখে প্রাণ হারানো জাতির সূর্যসন্তানদের স্মরণের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বৃহস্পতিবার।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামসরা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। বুদ্ধিজীবী হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পুরো সময় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা। ১৪ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের প্রাক্কালে এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিল্পী, লেখক, সাংবাদিকসহ বহু খ্যাতিমান বাঙালিকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।

নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনেই পাকিস্তানি বাহিনী ওই নিধনযজ্ঞ চালায়; তাদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার পর যেন বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে- তা নিশ্চিত করা।

শরীরে নিষ্ঠুর নির্যাতনের চিহ্নসহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের লাশ পাওয়া যায় মিরপুর ও রায়েরবাজার এলাকায়। পরে তা বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।

প্রায় অর্ধ শতক পর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির অংশ হিসেবে সরকার ২০২০ সালে প্রাথমিকভাবে এক হাজার ২২২ জনের একটি তালিকা করে।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে একটি অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভিত্তিক সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে পারলেই তাদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে।

রাষ্ট্রপতি ত্যাগ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান।

পৃথক এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতির বিজয়ের প্রাক্কালে তারা দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা ও গুম করে। তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, মুনীর চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, শহীদুল্লাহ কায়সার, গিয়াসউদ্দিন, ডা. ফজলে রাব্বি, আবদুল আলীম চৌধুরী, সিরাজউদ্দীন হোসেন, সেলিনা পারভীন, ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতাসহ আরও অনেকে।

 

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

আগামী জাতীয় নির্বাচন আ.লীগের ‘ট্রাম্প কার্ড’ সরকারের মেগা প্রকল্প

ইন্টারনেট শাটডাউন সরকারের নতুন ডিজিটাল অস্ত্র: মির্জা ফখরুল

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৪৪ বাংলাদেশি

সিলেটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তের ওপারে বিক্ষোভ

চামড়া পাচার ঠেকাতে সতর্ক শার্শা ও বেনাপোল সীমান্ত

রাজবাড়ীতে শ্রমিক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

কুড়িগ্রামে দুই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, পানিবন্দি ১৫ হাজার মানুষ

ইসির প্রতীক তালিকায় ‘শাপলা কলি’, বিরূপ প্রতিক্রিয়া এনসিপির

জবিতে যৌন নিপীড়ন শিক্ষক শাহেদ ইমন বহিষ্কার, চেয়ারম্যান জুনায়েদ হালিমকে অব্যাহতি

শিক্ষাসচিব প্রত্যাহার, পাইলটকে শেষ বিদায়, মাইলস্টোন ছাড়লেন দুই উপদেষ্টা