All Postজেলার খবর

চলছে চতুর্থ ধাপে ৬০ উপজেলায় ভোট, কেন্দ্রে এজেন্টও নাই, ভোটারও নাই!

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের চতুর্থ ধাপের ভোটগ্রহণ চলছে। বুধবার সকাল আটটায় শুরু হওয়া এই ভোট চলবে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ পর্বে দেশের ৬০টি উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজকের ভোটের মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হচ্ছে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। তবে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে স্থগিত ২০টি উপজেলায় আগামী ৯ জুন ভোটগ্রহণ করা হবে।

চতুর্থ ধাপে ৬০টি উপজেলায় একজন চেয়ারম্যান, তিন জন ভাইস চেয়ারম্যান ও একজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এরই মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৫১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৬৫ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০৫ জনসহ মোট ৭২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৫৮টি পৌরসভা ও ৮৭৪টি ইউনিয়নের ২ কোটি ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৫ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এ ধাপের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৭ হাজার ৮২৫টি। নির্বাচনে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট বিজিবি মোতায়েন থাকছে ১৬৬ প্লাটুন। ভোটকেন্দ্রে মোট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে ১৯ হাজার ৪৭৮ জন, মোবাইল টিমে মোট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে ৬ হাজার ৩ জন, স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে ২ হাজার ৬৭৩ জন। সর্বমোট পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে ৪১ হাজার ৩৭৯ জন। মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট র‌্যাব মোতায়েন থাকবে ১৫৪টি টিম। ভোটকেন্দ্র এবং মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মোট আনসার সদস্য মোতায়ন থাকবে ৬৬ হাজার ৫৭৯ জন।

ভোট শুরুর পর এমন ঘটনা ঘটে নাঙ্গলকোট উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের তুগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলম জানান, তুগুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুই হাজার ৩৬০ ভোট রয়েছে। কেন্দ্রের ভোট কক্ষ পাঁচটি। সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ৮টা ৩৫ মিনিটে আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু ইউসুফ ভূঁইয়ার এক এজেন্ট কেন্দ্রে ঢুকতে আসেন। নির্দিষ্ট সময়ের পরে আসায় আমি ঢুকতে দিইনি। তাই তারা সব প্রার্থীর সমর্থক নিয়ে কেন্দ্রের এজেন্টদের বের করে নিয়ে গেছেন। তারা ভোটারদেরও আসতে দিচ্ছেন না। এখন কেন্দ্রে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্ট ছাড়া আর কেউ নেই।

এদিকে দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজুল হক বলেন, পুলিশ ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আমাদের কাছে খরচ চেয়েছিলেন। আমরা না দেওয়ায় যেসব এজেন্ট দেরিতে এসেছিলেন, তাদের ঢুকতে দেননি। তাই আমরা সব প্রার্থীর সমর্থকরা মিলে এ কর্মকর্তার প্রত্যাহার দাবি করছি।

একই দাবি করেছেন আনারস প্রতীকের কেন্দ্রের প্রধান এজেন্ট আবু সুফিয়ান জুলিয়াস ও কাপ-পিরিচ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট সাইফুল ইসলাম।

এ সর্ম্পকিত সংবাদ

Back to top button