এ সময় স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশসমূহ সুইডেন, নরওয়ে ও ফিনল্যান্ডের সরকারপ্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানরাও একই ধরনের অবস্থানের কথা জানান।
সম্প্রতি মার্কিন সাময়িকী দ্য আটলান্টিকের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলা হয়তো শেষ দেশ নয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করতে পারে। এরপর থেকেই গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তার বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় আসে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন।
ডেনমার্ক এই দায়িত্ব যথাযথভাবে সামলাতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা বাড়াতে ডেনমার্ক কেবল একটি কুকুর-স্লেজ টহল মোতায়েন করেছে।
তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ড ন্যাটোর অংশ এবং নিজেদের কৌশলগত গুরুত্ব সম্পর্কে তারা সচেতন। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আলোচনার পথ খোলা আছে, তবে সে আলোচনা হতে হবে আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া মেনে। একইসঙ্গে তিনি জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানান।
এর আগে ট্রাম্পের উপপ্রধান চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলারের স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকার রঙে গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র শেয়ার করেন। সেখানে লেখা ছিল, ‘তাড়াতাড়িই হবে’। এ ঘটনায় ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন কড়া প্রতিক্রিয়া জানান।
এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডেনমার্ক রাষ্ট্রের কোনো অংশ দখলের অধিকার নেই।


















