বুধবার , ৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশিদের গুনতে হতে পারে ১৫ হাজার ডলার

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ১২:০১ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানতের পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ তালিকায় বাংলাদেশসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশের নাম যুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য থেকে বিষয়টি জানা গেছে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, তালিকায় মূলত আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ তালিকায় মোট ৩৮টি দেশ ছিলো। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর ক্ষেত্রে এ নীতি আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর জারি করা পাসপোর্টধারী কোনো ব্যক্তি যদি বি১/বি২ ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদন করতে তাকে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার বন্ড জমা দিতে হবে। ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় এই বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে।

ভিসা বন্ড হলো একধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেয়ার আগে এমন জামানত বা নিশ্চয়তা নিয়ে থাকে; যেন তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে।

কোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারী অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে সেটি ভিসা ওভারস্টে বলে গণ্য হয়।

অধিকাংশ দেশ ভিসা আবেদনের সময় আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ চাইলেও ফেরতযোগ্য জামানতের বিনিময়ে প্রবেশের সুযোগ দেয়ার নিয়ম চালু করেনি। একসময় নিউজিল্যান্ড ওভারস্টে কমাতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা চালু করেছিল, তবে পরে তা বাতিল করা হয়।

একইভাবে ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু তথাকথিত ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর পরিকল্পনা নিলেও শেষ পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো

1

আলজেরিয়া (২১ জানুয়ারি ২০২৬); অ্যাঙ্গোলা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); বাংলাদেশ (২১ জানুয়ারি ২০২৬); বেনিন (২১ জানুয়ারি ২০২৬); ভুটান (১ জানুয়ারি ২০২৬); বতসোয়ানা (১ জানুয়ারি ২০২৬); বুরুন্ডি (২১ জানুয়ারি ২০২৬); কাবো ভার্দে (২১ জানুয়ারি ২০২৬); মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র (১ জানুয়ারি ২০২৬); কোট দিভোয়ার (২১ জানুয়ারি ২০২৬); কিউবা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); জিবুতি (২১ জানুয়ারি ২০২৬); ডোমিনিকা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); ফিজি (২১ জানুয়ারি ২০২৬); গ্যাবন (২১ জানুয়ারি ২০২৬); গাম্বিয়া (১১ অক্টোবর ২০২৫); গিনি (১ জানুয়ারি ২০২৬); গিনি-বিসাউ (১ জানুয়ারি ২০২৬); কিরগিজস্তান (২১ জানুয়ারি ২০২৬); মালাউই (২০ আগস্ট ২০২৫); মৌরিতানিয়া (২৩ অক্টোবর ২০২৫); নামিবিয়া (১ জানুয়ারি ২০২৬); নেপাল (২১ জানুয়ারি ২০২৬); নাইজেরিয়া (২১ জানুয়ারি ২০২৬); সাও টোমে ও প্রিন্সিপে (২৩ অক্টোবর ২০২৫); সেনেগাল (২১ জানুয়ারি ২০২৬); তাজিকিস্তান (২১ জানুয়ারি ২০২৬); তানজানিয়া (২৩ অক্টোবর ২০২৫); টোগো (২১ জানুয়ারি ২০২৬); টোঙ্গা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); তুর্কমেনিস্তান (১ জানুয়ারি ২০২৬); টুভালু (২১ জানুয়ারি ২০২৬); উগান্ডা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); ভানুয়াতু (২১ জানুয়ারি ২০২৬); ভেনেজুয়েলা (২১ জানুয়ারি ২০২৬); জাম্বিয়া (২০ আগস্ট ২০২৫); জিম্বাবুয়ে (২১ জানুয়ারি ২০২৬)।

সর্বশেষ - আইন-আদালত