বিভিন্ন অপারেটরের ৫০ হাজারের অধিক সিম ও মোবাইল ফোনসহ বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রী উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় পাঁচ চীনা নাগরিকসহ টেলিগ্রাম প্রতারক চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগরের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি মিডিয়া) তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিভিন্ন অপারেটরের ৫০ হাজারের অধিক সিম, মোবাইল ফোন ও বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রীসহ চীনের পাঁচজন নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া টেলিগ্রামে প্রতারণায় জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- চীনা নাগরিক চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ ও হুয়াং ঝেং জিয়াং এবং মো. জাকারিয়া, নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মামলাটির নিবিড় তদন্তে জানা যায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের আরও অনলাইন প্রতারক চক্র রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ০৯ নম্বর সেক্টর হতে পাঁচ জন বিদেশি নাগরিকসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত সাতটি অবৈধ ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৪৭টি মোবাইল, বিভিন্ন অপারেটরের ১৮৪টি সিম, পাঁচটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।
ডিবির সাইবার ক্রাইম বিভাগ ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম অনলাইনে জব সংক্রান্ত প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপের প্রতারণাসহ বিভিন্ন প্রতারণা সংক্রান্তে ডিএমপি, ডিবি সাইবার সাপোর্ট সেন্টার ও ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ হতে প্রাপ্ত অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে রাজধানীতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি প্রতারক চক্রের সন্ধান পায়।
পুলিশ জানিয়েছে, উক্ত প্রতারক চক্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগরীর ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারণায় জড়িত মো. নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করে ডিবি।
এ সময় তাদের হেফাজত হতে অনলাইনে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের সর্বমোট ৫১ হাজার ৬৭টি সিম, চারটি মোবাইল ফোন, দুইটি সিপিইউ, একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।


















