ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তি নিয়ে অন্য কোনো বন্ধু রাষ্ট্র অসন্তুষ্ট হলে তাতে বাংলাদেশের কিছু যায় আসে না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ যদি নিজস্ব স্বার্থে কোনো শিল্প বা কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়, তা সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। অন্য কোনো দেশ এ বিষয়ে কী মনে করে, সেটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি বলেন, অন্য দেশে কী হচ্ছে বা সে বিষয়ে বাংলাদেশের মতামত—তা আদৌ কোনো গুরুত্ব বহন করে না।
জামায়াতে ইসলামিকে ঘিরে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মকর্তার মন্তব্য নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কে নির্বাচনে জিতবে, কারা ক্ষমতায় আসবে—তা না জেনে এ নিয়ে জল্পনা করা অর্থহীন। নির্বাচনের পর যারা ক্ষমতায় আসবে, তারাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক ও সমঝোতা নির্ধারণ করবে।
নির্বাচনের দিন ও এর আগে যেকোনো সহিংসতার দায় আওয়ামী লীগকে নিতে হবে—পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন বিবৃতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা হবে—এমন কোনো নিশ্চয়তা সরকার দেখছে না। তবে সংঘাত সৃষ্টির কোনো অপচেষ্টার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনভিত্তিক পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তারা সামগ্রিকভাবে সংযমের পরিচয় দিচ্ছেন। কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তা মূলত নির্বাচনে অংশ না নেওয়া পক্ষগুলোর দিক থেকেই আসতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


















