জাতীয় নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের চারটি অভিযোগের দুটির প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে স্বাধীন তদন্ত কমিশন। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক ম্যানেজার ও নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক তারিক উল হাকিমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তিন দফায় সময় বাড়িয়ে ২ ফেব্রুয়ারি রিপোর্ট জমা দেয়। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল রিপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন।
বিসিবি বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অনুসন্ধান দল তথ্য-উপাত্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হয়েছে, জাহানারা আলমের সঙ্গে অনুপযুক্ত আচরণ করেছেন মঞ্জুর ইসলাম।
বিসিবি লিখেছে, ‘কমিটি জাহানারা আলমের করা চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পরীক্ষা করে। এর মধ্যে দুটি অভিযোগ উপলব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়নি। বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নারী দলের তৎকালীন নির্বাচক ও ব্যবস্থাপক মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে।’ ২০২৫ সালের ৩০ জুন মঞ্জুরুল ইসলামের সঙ্গে বিসিবির চুক্তি শেষ হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে লেখা হয়েছে, ‘কমিটি পেশাদার মানের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ আচরণ পর্যবেক্ষণ করেছে, যা সুপ্রিম কোর্টের প্রযোজ্য নির্দেশিকা অনুসারে কিছু কর্মকাণ্ড ও আচরণ হয়রানির সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।’ এ ব্যাপারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বিসিবির আইনি দলকে নিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০০৯ সালের হাইকোর্টের রায় অনুসারে অভিযোগ ও সুরক্ষা কমিটি গঠন করেছে বিসিবি। বিসিবি নারী শাখার চেয়ারপারসন রুবাবা দৌলাকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। দেশের ক্রিকেটে নিরাপদ ও সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ক্রিকেট বোর্ড।


















