আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে বলা হয়েছে, তারা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিশেষ করে বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য এই কর্মকর্তাদের ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুযায়ী তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা পাবেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য প্রশিক্ষণ ও যোগদানের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের জেলা প্রশাসনগুলোর কর্মকর্তারা ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় (প্রথম ব্যাচ) এবং খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কর্মকর্তারা একই দিনে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে (দ্বিতীয় ব্যাচ) জুম প্ল্যাটফর্মে আবশ্যিক প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্ট জুম মিটিংয়ের আইডি ও পাসকোড কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোন ও ইমেইলে পাঠানো হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা রিটার্নিং অফিসারের কাছে যোগদান বা রিপোর্ট করা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসনকে রাত ৮টার মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের অধিক্ষেত্রে নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য দায়িত্ব বণ্টন ও অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করতে পারবেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য নিয়মিত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো বাধ্যতামূলক।
এছাড়া, মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দৈনিক তথ্য নির্ধারিত ছকে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ নির্বাচন এলাকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

















