ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে ‘ভালো হয়ে যাওয়ার’ পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘নয়ন, তুমি ভালো হয়ে যাও।’
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস যদি নিজের মঙ্গল চান, তাহলে তার উচিত হবে রবিউল ইসলাম নয়নকে চুপ করানো। নয়ন যত বেশি কথা বলবেন, মির্জা আব্বাসের ভোট তত কমে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমার বাসার সামনে বেশ কিছু লোক বাইক নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। এতে আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন।’
এ বিষয়ে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার পরিবার ও আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নির্বাচনী অফিসে যান রবিউল ইসলাম নয়ন। সেখানে গিয়ে তিনি নাসীরুদ্দীনের বাসার ঠিকানা জানতে চান।
এ বিষয়ে নয়ন বলেন, ‘আমি এই এলাকার লোক। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যেহেতু এই এলাকার প্রার্থী, তাই তার বাসার ঠিকানা জানা আমার দরকার। তিনি যদি আমার প্রতিবেশী হন, তাহলে জানাশোনার মধ্যেই থাকবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সংসদ সদস্য হলে ভবিষ্যতে কোনো প্রয়োজনে তার কাছে যেতে হতে পারে। সেবা নেওয়ার জন্যই তার বাসার ঠিকানা জানতে চেয়েছিলাম।’
এদিকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘হক ক্যাসেল’ ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে কোনো কোনো প্রার্থীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আমি শুনেছি সরকারের একটি মহল নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর তালিকা করেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে জয়ী করাতে হবে। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আচরণেও পক্ষপাতমূলক মনোভাব দেখা যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিছু প্রার্থী এমনভাবে কথা বলছেন, যেন তারা আগেই জিতে গেছেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলা হলেও ভেতরে ভেতরে যে পক্ষপাতিত্ব চলছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’


















