মঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

প্রধানমন্ত্রীর ফোনে এক ঘণ্টায় অপহৃত স্কুলছাত্র উদ্ধার

প্রতিবেদক
Newsdesk
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ১১:০৪ অপরাহ্ণ

সচিবালয়ের এক সাধারণ কর্মচারীর বিপদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ এবং পুলিশের তড়িৎ তৎপরতায় অপহরণের মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় উদ্ধার হয়েছে নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্র। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটে।

ছেলের অপহরণের খবর পেয়ে দিশেহারা এক বাবার আর্তনাদ পৌঁছে গিয়েছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর কানে। সেই আর্তনাদে সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনায় মাত্র ৬০ মিনিটের মধ্যে খিলগাঁওয়ের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে অপহৃত কিশোরকে।

অপহৃত স্কুলছাত্রের বাবা খন্দকার শামীম সচিবালয়ের একজন কর্মচারী। মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে তাঁর ছেলেকে অপহরণ করা হয়, এমন খবর শুনে তিনি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে তিনি সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে গিয়ে ছেলের বিপদের কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, শামীমের আকুতি শুনে প্রধানমন্ত্রী মুহূর্ত দেরি না করে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন করেন এবং ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধারের কঠোর নির্দেশনা দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অপহৃত কিশোর খিলগাঁও ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। দুপুর আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর চার-পাঁচজন অপহরণকারী তাকে জোড়পুকুর এলাকার একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।

সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার বাবার কাছে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় অপহরণকারীরা।

প্রধানমন্ত্রীর ফোন পাওয়ার পর রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযানে নামে। পুলিশ অত্যন্ত কৌশলী ভূমিকা পালন করে।

তারা অপহরণকারীদের সাথে যোগাযোগ করে টাকা পাঠানোর আশ্বাস দেয় এবং মুক্তিপণের টাকা নিয়ে দরকষাকষি শুরু করে। এক পর্যায়ে মুক্তিপণের দাবি ৫০ হাজার থেকে ১০ হাজারে নেমে আসে।

এই দরকষাকষির ফাঁকেই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণকারীদের সঠিক অবস্থান শনাক্ত করে ফেলে পুলিশ। খিলগাঁওয়ের ওই নির্মাণাধীন ভবনে পুলিশ হানা দিলে অপহরণকারীরা পালিয়ে গেলেও অপহৃত কিশোরকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া ডিসি মাসুদ আলম জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর তাঁরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযানে নামেন এবং এক ঘণ্টার মধ্যেই সফল হন। সন্তানের জীবন ফিরে পেয়ে খন্দকার শামীম প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ - আইন-আদালত