Thursday , 26 February 2026 | [bangla_date]
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

ঈদে নিরাপদ নৌযাত্রায় ২৬ সিদ্ধান্ত, কড়াকড়ি নজরদারির ঘোষণা

প্রতিবেদক
Newsdesk
February 26, 2026 11:31 pm

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নৌপথে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ২৬টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সভায় নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মো. রাজিব আহসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নৌমন্ত্রী জানান, ঈদের পাঁচ দিন আগে ও পাঁচ দিন পরে যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ সক্রিয় থাকবে। সদরঘাট এলাকায় অবৈধ পার্কিং বা দোকানপাট রাখতে দেওয়া হবে না এবং কুলিদের দৌরাত্ম্য বন্ধে কঠোর নজরদারি থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, “কোনও অবস্থাতেই লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন বা নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা যাবে না। মালিকপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট নিয়মিত তদারকি করবে।” সব নদীবন্দর ও নৌযানে দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে রাখতে হবে বলেও জানান তিনি। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নৌযানের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, ঈদের আগে ও পরে মোট ১০ দিন বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। রাতে স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দিনে চলাচলের সময় যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ১৭ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে।

তদারকির অংশ হিসেবে ১৫ রমজান থেকে ঈদের পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে ন্যূনতম চারজন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রতিটি ঘাটে ভিজিল্যান্স টিম কাজ করবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় থেকে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে।

যেসব গার্মেন্টসে জরুরি রপ্তানি আদেশ নেই, তাদের শ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ঈদের আগেই দুটি বড় জাহাজ উদ্বোধনের কথাও জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে যাত্রীরা এবারের ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারবেন।

ভিওডি বাংলা/আ

সর্বশেষ - আইন-আদালত