রাজধানীর নয়াপল্টন, গুলিস্তান ও কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে এক যুবকের কাটা দুই হাত ও দুই পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাড়ে ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে এই তিন জায়গা থেকে কালো পলিথিনে মোড়ানো শরীরের কাটা অংশগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে মাথাসহ বাকি অংশ এখনও পাওয়া যায়নি। আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে নিহত ব্যক্তির পরিচয় মিলেছে। তাঁর নাম মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৩০)। বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে। তিনি গণস্বাস্থ্য হোমিও নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ঘটনায় শাহীন আলম নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, ওবায়দুল্লাহ ও মতিঝিল হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী শাহীন আলম মতিঝিলের কবি জসীম উদ্দীন রোডের একটি ফ্ল্যাটের দুই কক্ষে থাকতেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন শাহীন আলম।
পুলিশের কাছে তিনি দাবি করেন, ওবায়দুল্লাহ তাঁকে নানাভাবে অপমান করতেন। পরিবার নিয়েও কটূক্তি করতেন। এ কারণে তিনি ওবায়দুল্লাহর ওপর ক্ষুব্ধ হন। শুক্রবার রাতে বাসায় তাঁকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশে চাপাতি দিয়ে টুকরা করা হয়। প্রতিটি অঙ্গ আলাদা কালো পলিথিনে ঢোকান তিনি। এরপর নিজের সাইকেলে লাশের টুকরাগুলো নিয়ে বের হন। প্রথমে রাত ১২টা ১০ মিনিটে নয়াপল্টনে স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তায় একটি কাটা পা ফেলেন। পরে গুলিস্তানে স্টেডিয়ামের ১৩ নম্বর গেটে দুটি হাত ফেলা হয়। কমলাপুর রেলস্টেশনে ফেলে আসেন একটি কাটা পা।
পুলিশের মতিঝিল জোনের সহকারী কমিশনার হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী সমকালকে বলেন, আঙুলের ছাপ থেকে তাঁর পরিচয় শনাক্ত হয়। মাথাসহ শরীরে বাকি অংশ উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে।



















