ইরানে হামলা চালিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা এবং এই অঞ্চলকে যুদ্ধে জড়ানোর একদিন পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে কথা বলতে চায়। ট্রাম্প নিজেও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন এবং তাদের সাথে কথা বলার পরিকল্পনা করছেন। খবর দ্য আটলান্টিকের।
স্থানীয় সময় রোববার সকাল সাড়ে ৯টার কিছু আগে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো ক্লাব থেকে ফোনে ট্রাম্প বলেন, তারা কথা বলতে চায়, এবং আমি কথা বলতে রাজি হয়েছি, তাই আমি তাদের সাথে কথা বলবো। তাদের এটা আরও আগেই করা উচিত ছিলো। তাদের উচিত ছিলো যা করা খুব বাস্তব এবং সহজ ছিলো তা আরও আগে দেওয়া। তারা অনেক অপেক্ষা করেছিলো।
ইরানিদের সঙ্গে তার এই কথোপকথন আজ হবে নাকি আগামীকাল—জানতে চাইলে ট্রাম্প উত্তর দেন, আমি আপনাকে তা বলতে পারছি না। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে আলোচনার সঙ্গে জড়িত থাকা কিছু ইরানি নেতা আর বেঁচে নেই।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, বেশিরভাগ লোকই চলে গেছে। আমরা যাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম তাদের মধ্যে কিছু লোক চলে গেছে, কারণ এটি ছিলো একটি বড়—এটি ছিল একটি বড়ো আঘাত।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে ট্রাম্প আরও বলেন, তাদের এটা আরও আগে করা উচিত ছিলো। তারা একটা চুক্তি করতে পারতো। তাদের এটা আরও আগে করা উচিত ছিলো। তারা খুব সুন্দর খেলেছে।
ট্রাম্পের মতে, পরিস্থিতি এই পর্যায়ে আসার আগেই ইরানের উচিত ছিলো একটি সমঝোতায় আসা। এখন নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।


















