Thursday , 5 March 2026 | [bangla_date]
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

সুদসহ আমানত ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও

প্রতিবেদক
Newsdesk
March 5, 2026 4:02 pm

সুদসহ জমা রাখা পুরো অর্থ ফেরতের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় থাকা পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা। একপর্যায়ে তারা মতিঝিলের শাপলা চত্বরের প্রধান সড়ক অবরোধ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জলকামান ব্যবহার করে তাদের সরিয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আমানতকারীরা। তারা ‘হেয়ার কাট’ নামে পরিচিত একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বাতিল এবং মুনাফাসহ পুরো আমানত ফেরত দেওয়ার দাবি জানান।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া গ্রাহকদের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নরের একটি সিদ্ধান্তের কারণে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আমানতের ওপর মাত্র ৪ শতাংশ হারে মুনাফা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আমানতকারীদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে তারা তাদের প্রকৃত পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের জমানো টাকা তুলতে পারছেন না। ফলে অনেক গ্রাহক চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন এবং মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থায় দ্রুত আমানতের পুরো অর্থ এবং প্রকৃত মুনাফা ফেরত দেওয়ার দাবি জানান তারা।

বর্তমানে ইউনিয়ন ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক—এই পাঁচটি ব্যাংককে নিয়ে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই আমানতকারীরা তাদের পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন বলে দাবি করছেন।

বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভকারীরা শাপলা চত্বরের প্রধান সড়ক অবরোধ করলে মতিঝিল এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আমানতের ওপর মুনাফা কমিয়ে মাত্র ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা আমানতকারীদের অধিকারের পরিপন্থী। তারা দাবি করেন, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করে গ্রাহকদের পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে হবে।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, ব্যাংক খাতে এমন পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের আস্থাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তাদের দাবি, সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত হস্তক্ষেপ করে এই সংকটের সমাধান করবে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করবে।

দাবি আদায় না হলে আগামী ১২ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাওসহ আরও কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় মতিঝিল এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকতে দেখা যায় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

আন্দোলনকারীরা জানান, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

ভিওডি বাংলা/জা

সর্বশেষ - আইন-আদালত