ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে মামলা করেছেন এগারো দলীয় জোটের প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এছাড়া একই অভিযোগে বিএনপির আরও চারজন প্রার্থী হাইকোর্টে পৃথক নির্বাচনী আবেদন (ইলেকশন পিটিশন) দায়ের করেছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগগুলোর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
মামলাকারী প্রার্থীরা হলেন:
- মাওলানা মামুনুল হক (খেলাফত মজলিসের আমির ও ১১ দলীয় জোট প্রার্থী)।
- ফারুক আলম সরকার (গাইবান্ধা-৫ আসন, বিএনপি)।
- নবী উল্লাহ নবী (ঢাকা-৫ আসন, বিএনপি)।
- হাসান জাফির তুহিন (পাবনা-৩ আসন, বিএনপি)।
- সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী (কুষ্টিয়া-৪ আসন, বিএনপি)।
এর আগে বিভিন্ন আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএনপির ১৪ জন, ১১ দলীয় জোটের ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনের শুনানি হয়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার ও রেজাল্ট শিট হাইকোর্টের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচনী বেঞ্চ।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ‘নির্বাচনী আবেদন’ করার বিধান রয়েছে। এসব আবেদনের শুনানির জন্য গঠিত বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে বর্তমানে নিয়মিতভাবে শুনানি চলছে।
নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন


















