মঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

আমি প্রেসিডেন্ট, আমাকে অপহরণ করা হয়েছে: মাদুরো

প্রতিবেদক
Newsdesk
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ১২:১৬ অপরাহ্ণ

প্রথমবারের মতো নিউ ইয়র্ক সিটির আদালত কক্ষের দরজায় প্রবেশ করার কিছুক্ষণ আগে ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোর পায়ে বাঁধা শিকলের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এরপরই তিনি সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো সাংবাদিক এবং জনসাধারণের উদ্দেশে উপস্থিত হয়ে বলেন, তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে।

আদালত কক্ষে প্রবেশের কয়েক মিনিট পরই, বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টেইন মাদুরোকে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে বলেন যাতে বিচার শুরু করতে পারেন। এ সময় তিনি বলেন, “আমি, স্যার, নিকোলাস মাদুরো। আমি ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট এবং আমি তেসরা জানুয়ারি থেকে অপহৃত হয়ে এখানে আছি।”

একজন দোভাষী আদালতের জন্য অনুবাদ করার আগে বেশ শান্তভাবেই আদালতে স্প্যানিশ ভাষায় এ কথা বলেন তিনি। মাদুরো বলেন, “ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে আমাকে বন্দি করা হয়েছিল।”

৯২ বছর বয়সী বিচারক দ্রুত মাদুরোকে বলেন, “এসব বিষয়ে আলোচনা করার জন্য একটি সময় এবং একটি জায়গা থাকবে।”

সোমবার বিকালে ৪০ মিনিটের নাটকীয় এই বিচার চলাকালীন মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত অভিযোগে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

নিকোলাস মাদুরো বলেন, “আমি নির্দোষ। আমি একজন ভদ্র মানুষ।”

তার স্ত্রী ফ্লোরেসও দাবি করেন, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।

নীল ও কমলা রঙের জেল শার্ট এবং খাকি প্যান্ট পরা মাদুরো ও তার স্ত্রী দুজনই শুনানির সময় স্প্যানিশ অনুবাদ শোনার জন্য হেডফোন পরেছিলেন। তাদের মাঝখানে একজন আইনজীবী বসেছিলেন।

মাদুরো একটি হলুদ লিগ্যাল প্যাডে সূক্ষ্মভাবে নোট লিখেছিলেন যেটি শুনানির পরে নিজের সাথে যাতে রাখতে পারেন তা বিচারককে নিশ্চিত করতে বলেছিলেন।

বিচার চলাকালীন এই শান্ত এবং অভিব্যক্তিহীন আচরণ বজায় রেখেছিলেন মাদুরো। এমনকি শেষের দিকেও, যখন জনসমাগমস্থল থেকে একজন ব্যক্তি হঠাৎ চিৎকার করে বলেন, মাদুরোকে তার অপরাধের জন্য ‘মাশুল’ দিতে হবে তখনও শান্তই দেখা গেছে তাকে।

স্প্যানিশ ভাষায় দর্শকদের সামনে থাকা লোকটির দিকে মাদুরো এ সময় চিৎকার করে বলেন, ‘আমি একজন প্রেসিডেন্ট এবং যুদ্ধবন্দি।’

মাদুরো ও তার স্ত্রী শুনানি চলাকালীন সময়ে জামিনের আবেদন করেননি। তবে পরবর্তী সময়ে তা করতে পারেন, যেটির অর্থ এখন তারা ফেডারেল হেফাজতে থাকবেন।

আগামী ১৭ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে আদালত।

শনিবার ভেনেজুয়েলায় নিজেদের কম্পাউন্ড থেকে মার্কিন বাহিনী তাদের গ্রেফতারের পর ৬৩ বছর বয়সী এই ব্যক্তি এবং তার স্ত্রীকে নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। রাতভর এক আকস্মিক অভিযানের অংশ হিসেবে সেদিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

সর্বশেষ - আইন-আদালত