যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৪০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের চালানো এ হামলার পর দুইশর বেশি বাসিন্দাকে তাদের বাড়ি থেকে সরিয়ে শহরের তিনটি হোটেলে নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।প্রতিশোধ হিসেবে আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যের ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।
এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, ইসরায়েল ও এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ হামলা চালানো হয়েছে।
তাদের দাবি, ২৭টি মার্কিন ঘাঁটির পাশাপাশি ইসরায়েলের তেল নফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’ এবং একই শহরে অবস্থিত একটি বিশাল প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী ‘পর্যায়ক্রমে চপেটাঘাতের মাধ্যমে প্রতিশোধের একটি ভিন্নধর্মী ও কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করবে’।