বৃহস্পতিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তাদের নিজস্ব জরুরি মজুত থেকেও তেল বাজারে ছাড়তে পারে।
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, মার্কিন প্রশাসনের অবগতিতেই ইরানি তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলো ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, যা বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখতে সহায়তা করছে।
প্রসঙ্গত, ইরানের সাউথ পারস গ্যাসক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
তেলবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মানদণ্ড তেল (যেমন- ওমান ও দুবাই ক্রুড) এরই মধ্যে ১৫০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। ফলে ব্রেন্ট ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট না হলেও ২০০ ডলার এখন আর দূরের নয়।
তিনি আরও বলেন, এখন থেকে তেলের দাম কতটা বাড়বে, তা প্রায় পুরোপুরি নির্ভর করছে হরমুজ প্রণালি কতদিন বন্ধ থাকে তার ওপর।


















