ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ আটকের ঘটনাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাজানো নাটক’ বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে জুবায়ের বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরের মতো জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি সাধারণ নাটক মঞ্চস্থ করেছে। বেলাল উদ্দিনের কাছে ব্যবসায়িক কাজের জন্য টাকা ছিল, যা সম্পূর্ণ বৈধ।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগে মেহেরপুরেও জামায়াতের জনসভার সরঞ্জাম দিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের নাটক সাজানো হয়েছিল, যা পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে আরও কিছু অভিযোগ করা হয়:
নির্বাচনী অফিসে হামলা: ভোটাররা যেন কেন্দ্রে আসতে না পারে সেজন্য একটি গোষ্ঠী চক্রান্ত করছে এবং একের পর এক নির্বাচনী অফিসে হামলা চালানো হচ্ছে।
এজেন্টদের হয়রানি: পাবনায় প্রশাসনের পরিচয়ে মাইকিং করে পুরনো মামলায় নির্বাচনী এজেন্টদের আটক করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক তৈরির হীন প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
হুমকি ও প্রশাসনের ভূমিকা: কুমিল্লায় একজন বিএনপি নেতা ভোট না দিলে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার প্রকাশ্যে হুমকি দিলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের অভিযোগ করেন, প্রশাসনের একটি অংশ একদিকে হেলে পড়েছে এবং এসব ঘটনা প্রশ্রয় দিচ্ছে। জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে একটি গোষ্ঠী নোংরা খেলায় মেতেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরোনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় কেউ আচরণ করলে জনগণ উপযুক্ত জবাব দেবে।
সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও জেলা আমিরের মুক্তি এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে থাকবে বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


















