ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে অন্যদলের মতো জামায়াত ইসলামীও নিরাপত্তার শঙ্কায় আছে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তর কাফরুল এলাকায় ঢাকা–১৫ আসনে নিজের নির্বাচনি জনসংযোগ শুরুর আগে জামায়াত আমির এ কথা বলেন।
নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে জামায়াতও নিরাপত্তার শঙ্কা দেখছে। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সমাধান খোঁজা হবে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় জোটের লোকজনের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। নির্বাচনি শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটানো হচ্ছে। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশটাকে শৃঙ্খলার দিকে নিয়ে যেতে হবে।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনসভাগুলোয় ব্যাপক জনসমাগম ও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান ডা. শফিকুর রহমান।
শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, দুটি জিনিস আমরা চেষ্টা করব এসার্ট করার। একটা মোরাল এডুকেশন, আরেকটা প্রফেশনাল এডুকেশন। দেশে এই দুটিরই এখন দারুণ অভাব। ফলে আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা শেষ করছে ঠিকই, সঙ্গে সঙ্গে তাদের হতাশা পেয়ে বসছে। তারা দুনিয়ার কোথাও নিজেদের ভালোভাবে ফিট করতে পারছে না। তাদের ল্যাঙ্গুয়েস্টিক কিংবা প্রফেশনাল স্কিল নাই।
তিনি আরও বলেন, ১৮ কোটি মানুষের সন্তানের জন্য শিক্ষাটা অবশ্যই এই দুটি দিক কাভার করে হতে হবে। যদি এই দুই দিক কাভার করে হয়, তাহলে দেশ কিংবা প্রবাসে যেখানেই আমরা থাকি না কেন, সাবস্টেন্সিয়ালি কন্ট্রিবিউট করতে পারব। তখন আমরা গর্বিত নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতে পারব এবং কাউকে আর বেকারত্বের যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে না। কাজ তার মালিককে খুঁজে বের করে।
দেশের বিদ্যমান কিছু সমস্যা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ সুযোগ দিলে আমরা আগেই বলেছি- শিক্ষা প্রথম, শিক্ষা দ্বিতীয়, শিক্ষা তৃতীয়। এটাই আমাদের প্রায়োরিটি। এরপর অন্যগুলোতে হাত দেবো।
প্রচারণাকালে তিনি স্থানীয় বাজার, আবাসিক এলাকা ও সড়কের পাশের দোকানগুলোতে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন।
আজ বিকেলে রাজধানীর মনিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহিলা সমাবেশ করবেন জামায়াত আমির। এরপর মিরপুর ১৩নং (হারম্যান মেইনার স্কুল এর পিছনে) গণসংযোগ ও পথসভা করবেন তিনি। এছাড়াও, রাতে এশার নামাজের পর মিরপুর ১০নং ফলপট্টি এলাকায় তার গণসংযোগ ও পথসভা করার কথা রয়েছে।


















