মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহন স্বাভাবিক করতে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া অপরিহার্য বলে একমত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। রোববার (২২ মার্চ) গভীর রাতে এক টেলিফোন আলাপে দুই নেতা এই ঐকমত্যে পৌঁছান। খবর বিবিসির।
এদিকে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তেল পরিবহনে মন্দার প্রভাব থেকে বিশ্বের কোনো দেশই ‘মুক্ত’ নয়। তার মতে, বিশ্ব এখন ১৯৭০-এর দশকের চেয়েও ভয়াবহ এক জ্বালানি সঙ্কটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে।
এর আগে সপ্তাহান্তের শুরুতে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন যে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই জলপথটি পুনরায় খুলে দেওয়া না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করে দেবেন।
হরমুজ প্রণালী নিয়ে ইরান তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেছে, আমাদের শত্রু ছাড়া এই প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে তেহরান একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের নিজস্ব জ্বালানি অবকাঠামোতে কোনো ধরনের হামলা হলে তারা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিতে প্রস্তুত।
বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের একটি বিশাল অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান আরও সম্প্রসারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আইডিএফ আশঙ্কা করছে, ইরান ও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

