আগামী বছর প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজারেরও বেশি বিদেশি কর্মী নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি সরকার। এ তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে নাম রয়েছে আরও ৩৬ দেশের। তবে এজন্য দেশটির সরকারি নির্দেশনী অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে বলে জানিয়েছে ইতালির শ্রম মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
ইতালিতে বসবাসকারী শরণার্থী, আশ্রয়প্রার্থী এবং অভিবাসীদের তথ্যসেবা প্ল্যাটফর্ম রিফিউজি ইনফোর প্রতিবেদনে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বলা হয়, ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি শ্রমিককে বৈধভাবে ইতালিতে কাজ নিয়ে প্রবেশের সুযোগ করে দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে নন-সিজনাল ক্যাটাগরিতে ৭৬ হাজার ২০০, সিজনাল ক্যাটাগরিতে ৮৯ হাজার এবং নিজস্ব কাজের জন্য ৬৫০টি কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ইতালি সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তালিকায় বাংলাদেশসহ আরও ৩৬টি দেশের নাম রয়েছে। সেসব দেশগুলো হলো―আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, বসনিয়া-হার্জেগোভিনা, দক্ষিণ কোরিয়া, কেপ ভার্দে, ইকুয়েডর, মিশর, এল সালভাদর, ইথিওপিয়া, ফিলিপাইন, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, জাপান, জর্ডান, গুয়াতেমালা, ভারত, কিরগিজস্তান, কসোভো, মালি, মরক্কো, মরিশাস, মলদোভা, মন্টেনেগ্রো, নাইজার, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, পেরু, উত্তর মেসিডোনিয়া, সেনেগাল, সার্বিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুদান, থাইল্যান্ড, তিউনিসিয়া, ইউক্রেন ও উজবেকিস্তান।
আবেদনের সময়সীমা
উল্লেখিত দেশের নাগরিকরা আগামী ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে শুরু করে আগামী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইতালি সরকারের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ইতালিয়ান একজন মালিকের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন।
এরপর নির্ধারিত চারটি দিনে প্রার্থীরা তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তারিখগুলো হচ্ছে― ২০২৭ সালের ১২ জানুয়ারি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৬ ফেব্রুয়ারি এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি।
আবেদনের ক্যাটাগরি
আবেদনের ক্ষেত্রে আগামী ১২ জানুয়ারিতে শুধু সিজনাল কৃষিখাতের জন্য আবেদনপত্র, ৯ ফেব্রুয়ারি সিজনাল পর্যটন খাতে, ১৬ ফেব্রুয়ারি নন-সিজনাল এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি নন-সিজনাল ডমেস্টিক খাতের জন্য আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে।
তবে প্রার্থীকে আবেদনপত্র জমাদানের আগে অবশ্যই তার কাগজপত্র ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে তবেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ জানিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।