বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনের থানা থেকে চলে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলছেন, দেলোয়ার পালিয়ে যাননি; ভয়ে অন্য কোথাও চলে গিয়ে থাকতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে তিনি থানা থেকে চলে যান বলে জানা গেছে।
দেলোয়ার হোসেনের বয়স ৩৮ বছর। তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় কর্মরত। তার বাবার নাম মো. সাখাওয়াত হোসেন সিকদার। তাদের বাড়ি খুলনা সদরের শেরেবাংলা রোড এলাকায়।
বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম এএসআই দেলোয়ার আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকায় মিরাজুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানেই এএসআই দেলোয়ার হোসেনসহ চারজনকে আটক করেন অধিদপ্তরের সদস্যরা।
আটকের পর দেলোয়ারকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু ওই দিন সন্ধ্যার দিকে তিনি থানা থেকে চলে যান বলে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় তার থানা ছাড়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে তিনি কীভাবে থানা থেকে বের হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযানে দেলোয়ারের সঙ্গে আটক অন্য তিনজন হলেন বাগেরহাটের ফকিরহাটের নাহিদ হাসান (২৬), বরিশাল সদরের দক্ষিণ কড়াপুরের মো. মিরাজুল ইসলাম (৩৪) এবং নগরের কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর এলাকার ফাতেমা আক্তার নুরজাত (৩০)।
এ বিষয়ে বিমানবন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, দেলোয়ার পালিয়ে যাননি। ভয়ে হয়তো দূরে কোথাও চলে গেছেন।