Friday , 18 August 2023 | [bangla_date]
  1. London Mirror Specials
  2. অন্যান্য
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আবহাওয়া
  6. খুলনা
  7. খেলা
  8. চট্রগ্রাম
  9. জেলার খবর
  10. ঢাকা
  11. তথ্য-প্রযুক্তি
  12. প্রবাসের কথা
  13. বরিশাল
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন

টম ল্যান্টস কমিশনের শুনানি বাংলাদেশে আরও নিষেধাজ্ঞার আহ্বান

প্রতিবেদক
Newsdesk
August 18, 2023 11:33 am

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আরও নিষেধাজ্ঞাসহ এর বিরুদ্ধে নতুন নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

তারা দাবি করেছে, বাংলাদেশে ব্যাপক রাজনৈতিক সহিংসতা দেখা যাচ্ছে, পালটাপালটি রাজনৈতিক সমাবেশগুলো সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবং বিরোধী দলগুলোর বিক্ষোভ প্রায়ই দমনপীড়নের শিকার হচ্ছে।

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের দ্বিদলীয় ‘টম ল্যান্টস হিউম্যান রাইটস কমিশন’ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল শুনানিতে এই আহ্বান জানানো হয়। এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন, রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটস, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ইউএস ইনস্টিটিউট অফ পিস এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের প্যানেলিস্টরাও এ শুনানিতে অংশ নেন।

এর আগে ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য র‌্যাব এবং এর কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। এই বছর মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র্র বাংলাদেশের জন্য নতুন ভিসানীতি ঘোষণা করে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে ভোট কারচুপির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।

এর প্রেক্ষাপটে রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লিটিগেশনবিষয়ক ফেলো ক্রিস্টি ইউয়েদা বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে আমরা যেমনটা দেখেছিলাম,

ঠিক তেমনি ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের নির্বাচনকে সামনে রেখে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক এবং সরকারের সমালোচকদের টার্গেট করে নাগরিক অধিকার সঙ্কুচিত করার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উল্লিখিত ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতিশোধমূলকভাবে গ্রেফতার, হয়রানি এবং ভীতি প্রদর্শন করছে। কারণ এই কর্মকর্তাদের অন্যায়ের জন্য কোনো জবাবদিহি করতে হয় না।

বাংলাদেশে মতপ্রকাশ এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ধীরে ধীরে খর্ব হচ্ছে উল্লেখ করে ক্রিস্টি ইউয়েদা বলেন, মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে সাংবাদিকদের ওপর ১৫১টি হামলা হয়েছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ছাড়াও সরকার মিডিয়ার ওপর আক্রমণ করেছে।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে রাষ্ট্রবিরোধী খবর প্রকাশের অভিযোগে সরকার ১৯১টি ওয়েবসাইট বন্ধ করে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে তুচ্ছ কারণে প্রকাশনার লাইসেন্স বাতিল করে প্রধান বিরোধী দলের একটি সংবাদপত্র বন্ধ করে দিয়েছে।

রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড লিটিগেশন বিষয়ক ফেলো ক্রিস্টি ইউয়েদা বলেন, আমরা মনে করি যতক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোকে তদন্ত এবং খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ এবং কার্যকর জবাবদিহিতার পদক্ষেপ গ্রহণ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা উচিত হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে যারা একই ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধেও তিনি নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রকে এ বিষয়টাকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। গণতন্ত্রকে কার্যকর করার জন্য নাগরিক স্বাধীনতার সুযোগ দেয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশকে অবশ্যই সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও সংস্থাগুলোকে হয়রানি, হুমকি এবং প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই কাজ করে যাওয়ার জন্য সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিসের সাউথ এশিয়া প্রোগ্রামস-বিষয়ক ভিজিটিং এক্সপার্ট এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের এশিয়া-প্যাসিফিক ডিভিশনের সিনিয়র অ্যাডভাইজর জিয়োফ্রে ম্যাকডোনাল্ড বলেন, গত এক বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ কিছুটা হলেও উন্নত হয়েছে। সরকারের সমালোচনা করতে বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলো বড় বড় সমাবেশ করেছে।

স্বতন্ত্র ও বিরোধী প্রার্থীরা স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনে জয়লাভ করেছে, যা নির্বাচনি নিরপেক্ষতার মাত্রা নির্দেশ করে। কিন্তু রাজনৈতিক সহিংসতা এখনো বেশি। তিনি বলেন, সব রাজনৈতিক দলের সদস্য ও সমর্থকদের সহিংসতা এড়িয়ে চলা অত্যাবশ্যক। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে প্রায়ই স্বচ্ছতার অভাব থাকে। তিনি বলেন, গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে যে, হাজার হাজার বিরোধী দলের সদস্য ও কর্মী বর্তমানে বিভিন্ন অভিযোগে মামলার মুখোমুখি।

এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন এবং এশিয়ান লিগ্যাল রিসোর্স সেন্টারের লিয়াজোঁ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, র‌্যাবের বিরুদ্ধে স্যাংশনের পর বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কমে গেছে। ফলে স্যাংশন অনেক জীবন রক্ষার কার্যকর হাতিয়ার বলে প্রমাণ হয়েছে। স্যাংশনের পর কমে গেছে গুমের ঘটনাও।

২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ২ হাজার ৬৮৩টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২১ সালে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ছিল ১০৭টি। কিন্তু ২০২২ সালে এ সংখ্যা ৩১ জনে নেমে আসে। এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাত্র আটজন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিরা যে মানবিক মূল্য পরিশোধ করছে তা কমাতে আমরা মার্কিন কংগ্রেসের টম ল্যান্টোস হিউম্যান রাইটস কমিশনকে অনুরোধ করব তারা যেন তাদের পূর্ণ শক্তি ব্যবহার করে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ: নজরুল ইসলাম খান

ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের পাঁচ যাত্রী নিহত

বিতর্কের মধ্যেই আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

বিএনপি চিন্তিত নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে: কাদের

অদৃশ্য শক্তির তৎপরতা দৃশ্যমান, নির্বাচনই সমাধান: তারেক রহমান

অস্ত্র নিয়ে টিকটক করায় ছাত্রলীগ নেতাকে বহিষ্কার

মুসলিম বিশ্বকে পবিত্র রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগপত্র পেয়েছি: স্পিকার

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকেরা পাবেন দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদা, বেতন দশম গ্রেডে