এক সপ্তাহের মধ্যে ফুয়েল কার্ড প্রাথমিকভাবে চালু হতে পারে। মূলত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং পাচার রোধে এই ‘ফুয়েল কার্ড’ বা ডিজিটাল অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অপারেশন অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি জানান, ফুয়েল কার্ড ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাপটি ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে দুই-একটি স্থানে এটি চালু করা হবে। এর মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সাপ্লাই চেইন আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং পাচার প্রতিরোধ করা সহজ হবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।
যুগ্মসচিব আরও জানান, এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেল ও এলএনজি নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। বর্তমানে দেশে ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন ডিজেল, ৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেন, ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন জেট ফুয়েল মজুদ রয়েছে। উল্লেখ্য, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই হলো ডিজেল।
এদিকে ডিজেল পাচার রোধে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। গত ৩০ মার্চ একদিনের অভিযানেই ১৯১টি মামলা এবং ৬৭ হাজার লিটার ডিজেলসহ মোট ৮৭ হাজার লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ৮৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছে মোবাইল কোর্ট।

