আইন-আদালত

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তদন্তে আরও ছয় মাস, নথির এক্সেস পাচ্ছে না টাস্কফোর্স

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করতে আরও ছয় মাস সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। তবে এই মামলার তদন্তে গঠিত টাস্কফোর্স নথিপত্র ব্যবহারের সুযোগ বা ‘এক্সেস’ না পাওয়াসহ নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানা গেছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)। এদিন বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তদন্তে আরও ছয় মাস সময় দেওয়া হয়।

ব্রিফিংয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত টাস্কফোর্স ইতিমধ্যে তিনবার তাদের কাজের অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। তবে তদন্তের প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় তাদের প্রবেশাধিকার বা এক্সেস পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। টাস্কফোর্স আদালতকে জানিয়েছে, মামলার তদন্ত নথির এক্সেস না পাওয়া তাদের জন্য একটি বড়ো বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন, চেইন অফ ইনভেস্টিগেশনের সমস্যার কারণে টাস্কফোর্স অনেক ক্ষেত্রে কিছু করতে পারছে না। এ কারণে তাদের এখনই ব্যর্থ বলা বা দোষারোপ করা যাচ্ছে না।

মামলার আসামিদের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বর্তমানে এই মামলার সাতজন আসামি কারা হেফাজতে রয়েছেন। এছাড়া একজন আসামি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটিকে ছয় মাস সময় দিয়ে হাইকোর্ট বলেছিলেন, এটিই শেষ বারের মতো সময় দেওয়া হলো। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। তারও আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর র‌্যাবকে সরিয়ে মামলার তদন্তভার উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্সকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত।

আদালতের নির্দেশে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের এই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। কমিটিতে পুলিশ, সিআইডি ও র‌্যাবের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে। গত বছরের ১৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এই টাস্কফোর্স গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পার হলেও এখনও প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থাগুলো।

সাম্প্রতিক সংবাদ

ভার্চুয়াল শুনানিতে একদিনে ৭০৭ মামলা নিষ্পত্তি

Newsdesk

তনু হত্যার ১০ বছর পর এক আসামি গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড

Newsdesk

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

Newsdesk