তারকাখ্যাতি নিয়েই বিশ্বকাপে এসেছিলেন কলম্বিয়ার লুইস দিয়াজ। উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রেখে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করলেন এই তারকা।
পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। তবে ম্যাচের মাঝে মাঝে আক্রমণ চালিয়েছে উজবেকিস্তানও।
প্রথমার্ধে গোল মাত্র একটি হলেও পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে কলম্বিয়া। ৭২ শতাংশ বল একাই নিজেদের দখলে রেখেছে দলটি। আর ২৮ শতাংশ বল ছিল উজবেকিস্তানের।
৪১তম মিনিটে লুইস দিয়াজের পাস থেকে কলম্বিয়াকে এগিয়ে দেন দানিয়েল মুনিওজ।
দ্বিতীয়ার্ধে আবারও বল দখল নিয়ে খেলতে থাকে কলম্বিয়া। তবে ৬০তম মিনিটে সমতা আনে উজবেকিস্তান। গোল করেন আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ। এল্দর শোমুরোদভের ভলি কলম্বিয়া গোলকিপার কামিলো ভার্গাস বিপদমুক্ত করতে না পারলে গোলমুখে বল পেয়ে যান ফাইজুল্লায়েভ। তাকে শুধু মাথা ছুঁইয়ে বল জালমুখী করতে হয়েছে।
তবে ম্যাচে সমতা বেশিক্ষণ ছিল না। উজবেকিস্তান সমতা আনার ৫ মিনিট পরই আবার এগিয়ে যায় কলম্বিয়া। বক্সে ঢুকেই ডান পায়ের কোনাকুনি শটে বল দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান বায়ার্ন মিউনিখ তারকা দিয়াজ।
এরপর বাকি সময়টাতে কলম্বিয়ার আক্রমণ ঠেকিয়ে গেছে উজবেকরা। তবে নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা সময়ের নবম মিনিটে কুচো হার্নান্দেজের ক্রস থেকে দারুণ এক গোল করে কলম্বিয়ার জয় নিশ্চিত করেন জামিনটন ক্যাম্পাজ।
এরপর একটি আক্রমণ করেছিল উজবেকিস্তান। দূরপাল্লার একটি শট বারে লেগে ফিরে আসে। তবে ৩-১ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে এশিয়ার দেশটি।