আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

দক্ষিণ আফ্রিকায় খনির বর্জ্যের স্তূপ ধসে নিহত ১৪

দক্ষিণ আফ্রিকায় খনির বর্জ্য ফেলার একটি বিশাল স্তূপ ধসে অন্তত ১৪ জন অবৈধ খনি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কয়েকজন আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে দেশটির একটি অনুমোদিত খনি বর্জ্য ফেলার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় একটি প্ল্যাটিনাম ও অন্যান্য ধাতু উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত বর্জ্যের স্তূপে অনুমতি ছাড়া খননকাজ চালানোর সময় হঠাৎ বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এতে সেখানে কাজ করা শ্রমিকরা চাপা পড়েন।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই এলাকায় সব ধরনের খননকাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আঞ্চলিক পুলিশ প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর্থার অ্যাডামস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, ধসের পর উদ্ধারকাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই প্রতিবেশী দেশ লেসোথো থেকে আসা নথিপত্রহীন অভিবাসী বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে তিনজন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া খনিতে প্রবেশ ও অবৈধ খননকাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ খনি শ্রমিকদের স্থানীয়ভাবে ‘জামা জামা’ নামে ডাকা হয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত খনি, বর্জ্যের স্তূপ ও বন্ধ খনিতে মূল্যবান ধাতু খোঁজেন তারা। কর্মসংস্থানের সংকট এবং দারিদ্র্যের কারণে নথিপত্রহীন অনেক অভিবাসীও এ কাজে যুক্ত হন।

নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় এসব স্থানে প্রায়ই ধস ও অন্যান্য দুর্ঘটনা ঘটে। গত বছরের জানুয়ারিতে স্টিলফন্টেইনের একটি পরিত্যক্ত খনি থেকে ৭৮টি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

সাম্প্রতিক সংবাদ

চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের দ্রুত ধরার নির্দেশ, ব্যর্থ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

Newsdesk

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

Newsdesk

বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেন অমিত শাহ

Newsdesk