তিনি দাবি করেন, তাকে নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় এই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে চাপে পড়ে তাকে মাদানী বিয়ে করেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করেন অনেকে। আবার কেউ কেউ দাবি করেছেন, এই নারীর সঙ্গে টিকটকে পরিচয় হয় তার। তবে এসব অভিযোগকে গুজব দাবি করে রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, ‘আল্লাহকে হাজির-নাজির রেখে বলছি, এই মেয়েকে বিয়ের দিন দেখার আগ পর্যন্ত আমি জীবনে কোনো দিন দেখিনি।
এমনকি তার সঙ্গে একবারের জন্য কথাও হয়নি। আর টিকটকে জীবনে কোনো দিন আমার আইডি ছিল না, সেটা এত বুঝিও না।’রফিকুল ইসলাম মাদানী বলেন, ‘আমি বিয়েটা করেছি আইএমভির মাধ্যমে। সেখানে যারা স্বেচ্ছায় একাধিক বিয়ে করতে আগ্রহী ছেলে বা মেয়ে তাদের ফরম পূরণ করতে হয়।
আমার ফরম পূরণ করা হয়েছিল কয়েক মাস আগে। এরপর তারা কুফু অনুযায়ী মিলে গেলে ছেলে ও মেয়ের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে, উভয় পক্ষ রাজি হলে বিয়ে সম্পন্ন হয়।’প্রথম স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় কেন দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলো—এমন প্রশ্ন করা হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি সেই সময়ই আমার প্রথম স্ত্রীকে ফরম পূরণের বিষয়টি জানিয়েছিলাম। অতএব আইএমভি শুধু বিবাহের মধ্যস্থতাকারী।