চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) বন্যার পানিতে ডুবে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত দুই দিনে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানিতে ডুবে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে। আজ মারা যাওয়া শিশুরা হলো আট বছর বয়সী মোহাম্মদ আশিক এবং ছয় বছর বয়সী মোহাম্মদ মিরাজ।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ইউনুস জানান, বাড়ির কাছে খেলার সময় ভারি বর্ষণে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানিতে ডুবে দুই শিশু মারা গেছে।
মধ্যম ইলশা গ্রামের বাসিন্দা শিশু আশিককে উদ্ধার করে গুণাগারির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে, রত্নপুর গ্রামের প্রবাসী কামাল উদ্দিনের ছেলে মিরাজ নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার মরদেহ পায়।
বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেছেন, প্রশাসন নিহত শিশুদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করবে।
গত দুই দিনে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, হাটহাজারী ও আনোয়ারা উপজেলায় পৃথক ডুবে যাওয়ার ঘটনায় চার শিশুসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
সাতকানিয়ায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের কর্মী আবদুল আলম (৩৫) বৃহস্পতিবার পানি বৃদ্ধি পাওয়া সাঙ্গু নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। শুক্রবার ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সাতকানিয়া জেলার চরাটি ইউনিয়নের দুরদুরি এলাকায় বন্যার প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়ে ১৭ বছর বয়সী যুবক মো. সাঈদের মৃত্যু হয়।
হাটহাজারীর মোহাম্মদপুর এলাকায় আশিস কুমার দাসের দুই বছর বয়সী ছেলে অনিকেত দাস বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছে।
এ ছাড়া আনোয়ারায় বারুমছড়া ইউনিয়নের নালদিয়া এলাকার মোহাম্মদ ইদ্রিসের ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ইশতিয়াক তার বাড়ির কাছে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে মারা যায়।