বাংলাদেশ

পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে ঢাকার সঙ্গে কাজ করবে লন্ডন: সারাহ কুকু

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাজ্যের আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে ঢাকার সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। তবে আইনি প্রক্রিয়া হওয়ার কারণে এই অর্থ ফেরাতে সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আমরা দুই দেশের অভিন্ন অগ্রাধিকার এবং সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করতে চাই। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংস্কার, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি।

প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সামরিক আধুনিকায়ন আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি এবং এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সহায়তা করতে আগ্রহী। তিনি এইচএমএস এন্টারপ্রাইজ হস্তান্তরের প্রসঙ্গ টেনে জানান, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পেশাদার সম্পর্ক ও প্রশিক্ষণ সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশে চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সারাহ কুক বলেন, সংস্কারের জন্য এখন একটি নির্বাচিত সরকার আছে, বিষয়টি তারাই দেখবে। আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন বা সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা নিয়ে মন্তব্য করা তার কাজের আওতাভুক্ত নয় বলে জানান তিনি। জুলাই সনদ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের সংসদে আলোচনার বিষয় এবং এ নিয়ে যুক্তরাজ্য কোনো মন্তব্য করতে চায় না। তবে জনগণের স্বার্থে এসব বিষয়ে সংসদে প্রকাশ্যে আলোচনা হওয়া উচিত বলে তিনি উৎসাহ দেন।

রোহিঙ্গা সমস্যাকে বৈশ্বিক আলোচনায় টিকিয়ে রাখতে যুক্তরাজ্য ক্রমাগত উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান হাইকমিশনার। এছাড়া নিরাপদ, আইনসম্মত এবং স্বচ্ছ অভিবাসন নিশ্চিত করতে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও জ্বালানি সঙ্কটকে তিনি কেবল আঞ্চলিক নয়, বরং একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেন।

সাম্প্রতিক সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতের রায় শিগগিরই

Newsdesk

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট ইইউ, ১৯ সুপারিশ

Newsdesk

ন্যায়বিচারই শেষ কথা: প্রধানমন্ত্রী

Newsdesk