ঢাকার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে লাইন-১ ও লাইন-৫-এর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে কয়েকটি প্যাকেজের কাজের প্রস্তাব অনুমোদনের পাশাপাশি আরও তিনটি প্যাকেজের জন্য দরদাতাদের সুপারিশ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে লাইন-১-এর সিপি-০৬ প্যাকেজে বাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ হবে। এতে দুটি টানেল ও বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ এবং খিলক্ষেত—এই তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
লাইন-১-এর সিপি-০৯ প্যাকেজে ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আর সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্মের পর্দা-দরজা এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণে ৪ হাজার ২৮৫ কোটি এবং লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজে ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণে ২ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।
প্রকল্প দুটির প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। ২০১৯ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত চলা প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে ডিএমটিসিএল। অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার ও জাইকা।