সরকার গঠনের পর দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আয়োজনটির মূল লক্ষ্য দেশের স্টার্টআপ খাতকে আরও শক্তিশালী করা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা তৈরিতে উৎসাহ দেওয়া এবং তরুণদের উদ্ভাবনী সক্ষমতা বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ তুলে ধরা।
অনুষ্ঠানে দেশের উদীয়মান স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বর্তমান অবস্থা, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারি সহযোগিতা ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনের বিষয়েও আলোকপাত করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। সমাপনী পর্বে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতের অগ্রগতি ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এরপর সফল উদ্যোক্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া নির্বাচিত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে ‘জাতীয় স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম’, যা দেশের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তারেক রহমানের দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর। এর আগে গত ১২ মে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে আয়োজিত ‘ট্রান্সফর্মিং হায়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্স’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় তিনি অংশ নিয়েছিলেন। এবার স্টার্টআপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকারের অগ্রাধিকার আবারও সামনে এসেছে।