খেলা

লিটনের চোখধাঁধানো ১২৬, ধ্বংসস্তূপ থেকে ২৭৮ রানের পুঁজি

প্রথম দিনের শেষ বেলায় প্রায় আধা ঘণ্টার কঠিন স্নায়ুচাপ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে ৬ ওভার ব্যাটিং করে বিনা উইকেটে ২১ রান তুলে দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। ওপেনার আব্দুল্লাহ ফজাল ১৬ বলে ১টি চারে ৮ এবং আজান আওয়াইস ৩টি চারে ২০ বলে ১৩ রানে অপরাজিত আছেন। স্বাগতিক বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান এখনো ২৫৭ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ। ঠিক তখনই ত্রাতা হয়ে দাঁড়ালেন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে নিজের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। লিটনের এই শতকের ওপর ভর করেই প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের লড়াকু পুঁজি পায় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে শূন্য রানে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দিতে দ্বিতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটি গড়েন অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হক। ভালো শুরুর আভাস দিয়েও তানজিদ ২৬ রানে এবং এরপর মুমিনুল ২২ রানে ফিরলে চাপে পড়ে দল।

চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শান্ত ২৯ রানে স্লিপে ক্যাচ দেন। এরপর মুশফিকও ৬৪ বলে ২৩ রান করে শাহজাদের এলবিডব্লিউর শিকার হন। সাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ (৪) পুরোপুরি ব্যর্থ হলে মাত্র ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় বাংলাদেশ।

৬ উইকেট পড়ার পর শুরু হয় ‘লিটন শো’। ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখে পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চড়াও হন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন লোয়ার অর্ডারের বোলাররা। তাইজুল ইসলাম ৪০ বলে করেন ১৬ রান। তার বিদায়ের পর তাসকিন আহমেদ এরপর শরীফুল ইসলামকে নিয়ে রান বাড়াতে থাকেন লিটন।

শেষ পর্যন্ত ১৩৫ বলে সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি লিটনের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। ব্যক্তিগত শতক পূর্ণ করে লিটন ফেরার ৩ বল পর শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন নাহিদ রানা। ফলে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

ধৈর্য্যের পরীক্ষায় পাস করে লিটনের সেঞ্চুরি

১৩৫ বলে সেঞ্চুরি তুললেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি তার তৃতীয় সেঞ্চুরি। ৭০.৪ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪৭ রানে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। লিটন ১১০ ও ৫ রানে আছেন শরিফুল।

তাসকিনকে ফেরালেন শাহজাদ

১৩ বলে সাত রান করে খুররমের বলে দ্বিতীয় স্লিপে সালমানের ক্যাচ হয়ে ফেরেন তাসকিন। তার বিদায়ে লিটনের সঙ্গে ভাঙল  ৪২ বল স্থায়ী ৩৮ রানের জুটি। ৬৫ ওভারে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ২১৪

বাংলাদেশের দুইশ

৬২তম ওভারে খুররমকে চার মেরে দলের রান দুইশ করে লিটন। ৬৩ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ২০৬। ১১০ বলে ৬৭ রানে খেলছেন লিটন। ১২ বলে ৭ রানে ব‍্যাট করছেন তাসকিন আহমেদ।

তাইজুলকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন সাজিদ

দলীয় ১৭৬ রানে সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সাজিদের বলে বোল্ড হয়ে গেলেন তাইজুল ইসলাম। ৪০ বলে ১৬ রান করেন তিনি। তার বিদায়ে ভাঙে লিটনের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি। ৬০ ওভারে বাংলাদেশের রান ৭ উইকেটে ১৯০। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী তাসকিন।

ধ্বংসস্তূপে লিটন-তাইজুলের প্রতিরোধ, চা-বিরতিতে বাংলাদেশ

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে প্রথম ঘণ্টায় দুঃস্বপ্নের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ দল। পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৪ ওভার ব্যাটিং করে ৩টি মূল্যবান উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। দুই থিতু ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের বিদায়ের পর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজও। ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানো দলের হাল ধরেন লিটন দাস এবং তাইজুল ইসলাম।

সপ্তম উইকেটে লিটন ও তাইজুল ৮৬ বলে পঞ্চাশ রানের জুটি পূর্ণ করেন। চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে ৯৫ বলে ৫২ রান যোগ করেছেন এই দুই ব্যাটার। বর্তমানে লিটন ৭৭ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৪২ রানে এবং তাইজুল ৩১ বলে ১টি চারের সাহায্যে ১১ রানে অপরাজিত আছেন।

মিরাজও আউট, ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ

এবার ফিরলেন মিরাজ। খুররমের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে ৪ রান করেন তিনি। এ নিয়ে  লাঞ্চের পর ১৫ রান তুলতে এ নিয়ে ৩ উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছে স্বাগতিকরা। ৩৯ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানে খেলছে বাংলাদেশ। ক্রিজে আছেন তাইজুল ও লিটন।

ছবি- বিসিবি

ছবি- বিসিবি

মুশফিকের বিদায়ে বিপদে বাংলাদেশ, নেই ৫ উইকেট

বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে এবার ফিরলেন মুশফিকুর রহিমও। খুররম শেহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ফিরেছেন ২৩ রান করে। ৩৮ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৪ রানে খেলছে বাংলাদেশ। মিরাজ ২ ও লিটন আছেন ২ রানে।

লাঞ্চের পর আব্বাসের শিকার শান্ত

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরেই বাংলাদেশকে চেপে ধরেছে পাকিস্তান। সেই চাপের মুখে ভেঙে গেল নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ৪৩ রানের প্রতিরোধ। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে রিজওয়ানের গ্লাভসে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। আউট হওয়ার আগে শান্তর ব্যাট থেকে আসে ২৯ রান। ৩৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১০৬ রান। ক্রিজে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী লিটন দাস।

এর আগে ব্যক্তিগত ১৮ রানে জীবন পেয়েছেন মুশফিক। লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নামা মুশফিক উইকেটকিপার রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন।  আম্পায়ার আউট না দিলে শেষ পর্যন্ত রিভিউ নেয়নি পাকিস্তান। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় বল মুশফিকের গ্লাভস ছুঁয়ে গিয়েছিল।

শতরানের সেশন, তিন উইকেট হারাল বাংলাদেশ

৩ উইকেটে ১০১ রান তুলে সিলেট টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশন শেষ করেছে বাংলাদেশ। শুরুতে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারালেও চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে দলকে লাঞ্চ বিরতিতে নিয়ে গেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। আব্বাসের বলে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। সেই শুরুর ধাক্কা সামাল দিতে দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হক। দুজনে মিলে ৫৮ বলে ৪৪ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক চাপ সামাল দেন। তবে ১০ম ওভারে তানজিদ তামিম ৩৪ বলে ২৬ রান করে আব্বাসের দ্বিতীয় শিকার হলে ভাঙে এই জুটি।

তানজিদের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক শান্ত। তবে অন্য প্রান্তে থিতু হয়ে যাওয়া মুমিনুল হকও নিজের ইনিংসটি বড় করতে পারেননি। ১৬তম ওভারে ব্যক্তিগত ২২ রানে খুররম শাহজাদের বলে মুমিনুল আউট হলে ভেঙে যায় তাদের ১৯ রানের জুটি।

এরপর পাকিস্তানি বোলারদের আর সুযোগ দেননি নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। দুজন মিলে ২৬ ওভার ব্যাটিং করে অবিচ্ছিন্ন ৩৮ রানের জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ একশ পার করেন। শান্ত ২৬ এবং মুশফিক ১৮ রানে অপরাজিত আছেন।

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিসিবি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা, ভোট ৭ জুন

Newsdesk

টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল পাকিস্তান

Newsdesk

রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়তে চান এমবাপ্পে! জানা গেল কারণ

Newsdesk