৮০ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে দাপুটে ফুটবল খেলেই বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল মেক্সিকো। একুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৪০ বছরের নকআউট জয়ের অপেক্ষারও অবসান ঘটিয়েছে স্বাগতিকরা।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। ষষ্ঠ মিনিটে লুইস রোমোর নিচু শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। পরের মিনিটেই রোমোর নিখুঁত ক্রস থেকে হিমেনেসের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
প্রথম ১০ মিনিট মেক্সিকোর চাপে থাকলেও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে একুয়েডর। ১৮তম মিনিটে গন্সালো প্লাতার পাস থেকে জন ইবোয়ার শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে বাইরে চলে যায়।
এর চার মিনিট পরই এগিয়ে যায় মেক্সিকো। হেসুস গাইয়ার্দোর বাড়ানো বল ধরে অফসাইড ফাঁদ এড়িয়ে বাম দিক দিয়ে এগিয়ে যান হুলিয়ান কিনোনেস। এরপর বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শটে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
৩১তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমেনেস। একুয়েডরের ডিফেন্ডার জোয়েল ওর্দানেসের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে কিনোনেসের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি।
দুই গোল হজমের পর কিছুটা ছন্দে ফেরে একুয়েডর। ৪০তম মিনিটে জন ইবোয়ার জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রাহনেল। দুই মিনিট পর কর্নার থেকে আসা আরেকটি সুযোগও নষ্ট করে একুয়েডর। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে হিমেনেসের ভলি অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ২-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় মেক্সিকো।
দ্বিতীয়ার্ধে বলের দখলে এগিয়ে ছিল একুয়েডর। তবে মেক্সিকোর রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পায় মেক্সিকো। সেসার মন্তেসের হেড এক হাতে অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক এর্নান গালিন্দেজ। পরের কর্নার থেকে জোহা ভাস্কেসের হেডও অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে মেক্সিকো।