ড্রোন হামলার একদিন পর নিজেদের একটি প্রধান পাইপলাইন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। একই সময়ে ইয়েমেনের ইরানসমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বারে একটি কৌশলগত দ্বীপ দখল করেছে। দুই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই হুথিদের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক অর্জন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই অগ্রযাত্রা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেওয়ার ইরানি কৌশলকে আরও জোরালো করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ড্রোন হামলার পর পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় এটিকে ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরাক থেকে আসা কয়েকটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরাকি সরকারকে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দিতে’ আপাতত কোনো পাল্টা জবাব দেবে না সৌদি আরব।
এদিকে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আলী আল-জাইদি মায়সান প্রদেশের অপারেশন কমান্ডের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এর কমান্ডারকে বরখাস্ত করেছেন।
সরকারের মুখপাত্র সাবাহ আল-নুমান শনিবার ভোরে এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে চালানো হামলাগুলো মায়সান প্রদেশের একটি স্থান থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে নিশ্চিত হওয়ার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।