রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে এক সাত বছর বয়সী শিশু কন্যাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পাশের ফ্ল্যাটের এক ভাড়াটিয়াকে অভিযুক্ত করছে পরিবার। পুলিশ ইতিমধ্যে ওই ভাড়াটিয়ার স্ত্রীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টার দিকে দিকে পল্লবী থানার ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি বাসায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আটক নারীর নাম স্বপ্না।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিশুর নাম লামিসা। তার বয়স সাত বছর এবং বাবার নাম আব্দুল হান্নান মোল্লা। তারা পল্লবী থানাধীন ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাসায় থাকে। তাদের গ্রামের বাদি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শিয়ালদী গ্রামে। বাবা পেশায় রিকশার মিস্ত্রি, মা পারভিন গৃহিনী।
পরিবারের অভিযোগ, ওই বাসার পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল (৩২) নামের এক ব্যক্তি শিশু লামিসাকে গলাকেটে হত্যা করেছে। নিহত শিশুর স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে প্রথমে ধর্ষণ এবং পরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ভুইয়া বলেন, আমরা সংবাদ পেয়ে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশন বি ব্লক মিল্লাদ ক্যাম্পের পাশে সাত নম্বর রোডের একটি বাসা থেকে শিশুর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহটি মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, পাশের বাসার সোহেল রানা (৩২) নামে এক যুবক সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে যে কোন সময়ে তাকে হত্যা করে পালিয়েছে। সে সময়ে বাসায় কেউ ছিলোনা।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।