আন্তর্জাতিকসর্বশেষ

নেপালে নিহত বেড়ে ৩৮৯, নিখোঁজ হাজারেরও বেশি

চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ, যাদের মধ্যে অন্তত ৭০০ জন বিদেশি পর্যটক রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে নেপাল পুলিশ। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

ট্রেকার ও তীর্থযাত্রীদের আনাগোনায় মুখরিত একটি পার্বত্য সড়ক বন্যার তোড়ে ভেসে যাওয়ার পর এই বিপুলসংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হন।

দুর্গত এলাকায় তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে হেলিকপ্টার। পাহাড় বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন শহর ও উপত্যকাগুলোতে আটকে পড়া হাজার হাজার মানুষের জন্য ওপর থেকে তাঁবু, শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী ফেলা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, তিব্বত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় হিমবাহ ধসের কারণেই হঠাৎ এই প্রলয়ংকরী বন্যার উৎপত্তি হয়েছে। নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সতর্কবার্তা জারি করে জানিয়েছে, বন্যার কারণে একটি নদীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়ে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। পানির স্তর দ্রুত বাড়তে থাকায় হ্রদটি যেকোনো মুহূর্তে ফেটে নতুন করে প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এদিকে দুর্যোগের কেন্দ্রস্থল নুয়াকোট পরিদর্শনের পর রাজধানী কাঠমান্ডুতে ফিরে এসেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ। এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষ, স্থানীয় প্রতিনিধি, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ বলেন, পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত সংকটজনক। রাষ্ট্রের সব সংস্থা পূর্ণ সক্ষমতা দিয়ে মাঠে কাজ করছে। এখন আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো প্রতিটি মানুষের জীবন রক্ষা করা, নিখোঁজদের উদ্ধার, আহতদের সুচিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে তাৎক্ষণিক ত্রাণ পৌঁছানো।

মাত্র পাঁচ মাস আগে দায়িত্ব নেওয়া বলেন্দ্র শাহের নতুন সরকারের জন্য এই প্রাকৃতিক দুর্যোগকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সংবাদ

রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

Newsdesk

সেপ্টেম্বরে তফসিল, ডিসেম্বরে স্থানীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ: সিইসি

Newsdesk

মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, ছাদে হত্যা করা হয় তিনজনকে: পুলিশ

Newsdesk