জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এমপি হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, পালিয়ে যাব না বলে যে পালিয়ে যায়, সে ‘আসি’ বললেও আর কখনও ফিরে আসে না। ওখান থেকে আসার কথা বলে নেতাকর্মীদের বের করবে, আর তারা গণপিটুনির শিকার হবে।
বক্তব্যে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে বলেন, একটি বৃহৎ দল দাবিদার ট্রাঙ্কভর্তি গোলাবারুদ, পার্শ্ববর্তী বিদেশি শক্তি কিংবা টাকা-পয়সা কোনো কিছু দিয়েই নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারেনি। তারা এখন টেলিগ্রাম লীগে পরিণত হয়েছে।
হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে শিক্ষকদের বদলি করা হয়েছে। ক্ষমতার এমন অপব্যবহারের দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে-আলী আহসান জুনায়েদ ও সরোয়ার তুষার, জাতীয় নারী শক্তির সদস্য সচিব ডাক্তার মাহমুদ মিতু এমপি, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট শাকিল আহমাদ এবং খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সমাবেশকে কেন্দ্র করে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি সংবলিত কয়েকটি কুশপুত্তলিকা বৈদ্যুতিক তারে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া দুপুরে সমাবেশস্থলের পাশ থেকে একটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সমাবেশ শেষ হয়।