খেলাসর্বশেষ

২৮৪ রানে অলআউট অস্ট্রেলিয়া, ইতিহাসের হাতছানি বাংলােদেশর

অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত তা পারেনি বাংলাদেশ। তবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গেছে সফরকারীরা। চতুর্থ দিন শেষে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার আর ৫৭ রান।

১৯৮ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৪২৬ রান করে। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। ফলে স্বাগতিকরা ৫৬ রানের লিড পায়। জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭ রান।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে একাই লড়াই করেন ক্যামেরন গ্রিন। তার ১০৪ রানের ইনিংস অস্ট্রেলিয়াকে বড় বিপদ থেকে কিছুটা রক্ষা করে। শেষ পর্যন্ত হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি।

চতুর্থ দিন প্রথমবার বল হাতে নিয়েই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট পান হাসান। ২০১ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০৪ রান করেন গ্রিন। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন ৩ উইকেট। দুই ইনিংস মিলিয়ে তাঁর শিকার ৯ উইকেট।

এর আগে দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে তাসকিন আহমেদের বলে ৯৫ রানে জীবন পান গ্রিন। সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার কঠিন পরিস্থিতিতে শতক করেও দলকে আরও বড় লিড এনে দিতে পারেননি।

লাঞ্চের পর তৃতীয় ওভারেই অস্ট্রেলিয়ার অষ্টম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ৮৭তম ওভারের পঞ্চম বলে মিচেল স্টার্ককে লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন তাসকিন। ৩৪ বলে দুই চারে ১৮ রান করেন স্টার্ক। গ্রিনের সঙ্গে তাঁর জুটি থেকে আসে ৪৩ রান।

এর আগে দিনের প্রথম সেশনেও দারুণ বোলিং করে বাংলাদেশ। এক প্রান্তে গ্রিন লড়াই চালিয়ে গেলেও অ্যালেক্স ক্যারি, বেউ ওয়েবস্টার ও প্যাট কামিন্সকে ফিরিয়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর বোলিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে ইনিংস ব্যবধানে হারানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

তবে গ্রিন ও স্টার্কের জুটিতে সেই শঙ্কা কাটিয়ে ওঠে স্বাগতিকরা। প্রথম সেশন শেষে ৭ উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে লাঞ্চে যায় অস্ট্রেলিয়া। গ্রিন ৮৫ ও স্টার্ক ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৬১ রান নিয়ে চতুর্থ দিন শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দিনের সপ্তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিকে ফিরিয়ে গ্রিনের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন মিরাজ। ৭২ বলে ৩০ রান করেন ক্যারি।

এরপর বেউ ওয়েবস্টারকে ৫ রানে বোল্ড করেন মিরাজ। ১৩ মাস পর ১৩ ইনিংসে প্রথম অর্ধশতক পাওয়া গ্রিনকে সঙ্গ দিতে নেমে প্যাট কামিন্স করেন ৮ রান। সাদমান ইসলামের ক্যাচে পরিণত হওয়া কামিন্সকেও ফেরান মিরাজ। নতুন দিনে এটি ছিল মিরাজের তৃতীয় এবং ইনিংসে চতুর্থ উইকেট।

অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম উইকেট পড়ে ২০৭ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং শুরু করা স্বাগতিকদের শেষ পর্যন্ত ৫৬ রানের লিডেই থামতে হয়।

সাম্প্রতিক সংবাদ

ইনানীতে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ৬ কোটি টাকার রিসোর্ট

Newsdesk

মধ্যরাতেই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’

Newsdesk

কানাডায় মানব পাচার ও যৌন নির্যাতন, দুই বাংলাদেশির কারাদণ্ড

Newsdesk