নিজস্ব প্রতিবেদক :
ডেঙ্গুকে সবাই মিলে প্রতিরোধ করতে পারলে আমাদের সন্তানদের ডেঙ্গু থেকে রক্ষা করা সম্ভব। এ লক্ষ্যেই পরিবেশগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব (এমপি)।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টায় ঢাকার খিলগাঁও দক্ষিণ গোড়ানের ভূঁইয়া ঝিল খেলার মাঠে মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় এক জনসচেতনতামূলক র্যালির মাধ্যমে ৩০ দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদকাসক্তি ও চাঁদাবাজি দমনে রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্র গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের উন্নয়নে প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবে বলে উল্লেখ করেন।
এ সময় সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মসূচির প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জানান, সবার জন্য ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করা হবে এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করা হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়কারী শফিউল আলম লস্কর রাসেল বলেন, আজ থেকে শুরু হওয়া ৩০ দিনব্যাপী কর্মসূচির আওতায় খিলগাঁও, দক্ষিণ গোড়ান ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের এই কর্মসূচির বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হবে।
উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসচেতনতামূলক একটি র্যালি খিলগাঁও, দক্ষিণ গোড়ান ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় স্থানীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবকরা জনসাধারণের মাঝে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (অঞ্চল-০২) ২ নম্বর ওয়ার্ডের মশক নিয়ন্ত্রণ পরিদর্শক আজকের জন্য বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।
পরিদর্শক সাইফ রহমান জানান, আজ মশক বিভাগ থেকে ১৮ জন সভাস্থলে লার্ভা নিধন ও এডাল্ট মশা নিধন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, সাধারণভাবে ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৬ জন নিয়মিত মশক নিধন কাজে নিয়োজিত থাকেন।
একই অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা মোয়াজ্জেম হোসেন (সিআই) জানান, প্রতিদিন ওয়ার্ডের মহল্লাগুলোতে ৯০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী কাজ করেন। প্রতিমন্ত্রীর কর্মসূচি উপলক্ষে সবাইকে সভাস্থলের আশপাশে কাজে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।