ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থার সমাধান হয়নি। এ পরিস্থিতিতে রোববার (১৭ মে) রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশ ও বাহিরের গেট বন্ধ করে ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু করেছেন একাংশ শিক্ষার্থী।
এর পর থেকেই ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জানা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি ও চলমান সংকট নিরসনে রোববার (১৭ মে) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের প্রতিনিধিরা বৈঠকে বসেন। রাত ১০টা পর্যন্ত চলা ওই বৈঠকে সদ্য বিদায়ী উপাচার্য উপস্থিত থাকলেও নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল উপস্থিত ছিলেন না।
বৈঠকে হওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে মতামত জানানোর কথা ছিল শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের। তবে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রবেশ ও বাহিরের গেট বন্ধ করে ‘ডুয়েট ব্লকেড’ কর্মসূচি শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। সোমবার সকালেও কর্মসূচি অব্যাহত ছিল। শিক্ষার্থীদের একাংশ কাউকে ক্যাম্পাসে প্রবেশ বা বের হতে দিচ্ছেন না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস জানান, রোববারের বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হলেও আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সোমবার সকালে তাদের সিদ্ধান্ত জানানোর কথা ছিল। তবে এর আগেই তারা ব্লকেড কর্মসূচি শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।
তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হবে। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করে ডুয়েট থেকেই উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীদের একাংশ। রোববার নবনিযুক্ত উপাচার্য যোগদান করতে গেলে তার পক্ষে ও বিপক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।