সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, চীন এখন পর্যন্ত কিছুটা ভূমিকা রাখলেও তাদের কাছ থেকে আরও সক্রিয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করে ওয়াশিংটন।
আসন্ন এই বৈঠককে শুধু যুক্তরাষ্ট্র-চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্যও একটি বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, এই কূটনৈতিক উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে কি না।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই